ট্র্যাফিক আইন ভাঙা মোটরবাইক চালকদের বিরুদ্ধে এক মাসের বেশি সময় ধরে চলছে নাকা তল্লাশি। তাতে মঙ্গলবার পর্যন্ত ২৬ হাজারের মতো আইনভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, এ বার তাঁদের সচেতন করতে চাইছে ট্র্যাফিক পুলিশ। এ জন্য আইনভঙ্গকারীদের কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু এলাকার ক্লাব এবং স্কুলগুলিতে ট্র্যাফিক সচেতনতার প্রচার শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ।

লালবাজার সূত্রের খবর, ট্র্যাফিক আইন ভাঙার জন্য যাঁদের জরিমানা করা হচ্ছে, চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার রাত থেকে তাঁদের নাম, ফোন নম্বর এবং বাড়ির ঠিকানা পুলিশকর্মীদের রাখতে বলা হয়েছে। সেই নম্বর নিয়ে আইনভঙ্গকারীদের ফোন করে কাউন্সেলিংয়ে ডেকে পাঠানো হবে। শনিবার থেকে কলকাতা পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে ওই কাউন্সেলিং শুরু হওয়ার কথা। কেন্দ্রীয় ভাবে প্রথম দফায় আড়াইশো আইনভঙ্গকারী বাইকচালককে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। যেখানে তাঁদের হাতেকলমে ক্লাস নেবেন ট্র্যাফিক পুলিশের কর্তারা। 

শনিবারের ওই ক্লাসের পরে শহরের ২৫টি ট্র্যাফিক গার্ডের অধীন আইনভঙ্গকারীদের কাউন্সেলিং করানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে প্রতিটি গার্ডে কত জন আইনভঙ্গকারী ক্লাস করতে পারবেন, তা চূড়ান্ত হয়নি।

মাসখানেক আগে একই রাতে শহরের দু’জায়গায় হেলমেটহীন মোটরবাইক চালকদের হাতে প্রহৃত হয়েছিলেন প্রাক্তন মিস ইউনিভার্স ঊষসী সেনগুপ্ত। এর পরেই কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা রাতের শহরের বিভিন্ন এলাকায় থানা এবং ট্র্যাফিক গার্ডকে যৌথ ভাবে নাকা তল্লাশি চালানোর নির্দেশ দেন। অভিযোগ, এর পরেও হুঁশ 

ফেরেনি বেপরোয়া বাইকচালকদের। ট্র্যাফিক পুলিশের এক কর্তার দাবি, বেপরোয়া মোটরবাইক চালকদের কাউন্সেলিং করলে কিছুটা হলেও তাঁদের মনোভাবে পরিবর্তন ঘটবে।