দেখলে মনে হবে অবিকল ‘সুগার কিউব’। শুধু যা রঙের ফারাক। সাদার বদলে হালকা বাদামি। আর কোনও পার্থক্য নেই।

এই বাদামি রঙের ‘মাদক কিউব’-ই এখন শহরের যুবক-যুবতীদের কাছে নেশার নতুন খোরাক। বাদামি রঙের এই কিউব-এর মধ্যেই দেওয়া থাকছে তরল এলএসডি। সুগার কিউব অত্যন্ত মিষ্টি হওয়ায় নেশাও চড়ছে ভাল। আবার সুগার কিউব ভেবে নেওয়ায় ধরা পড়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম।

এলএসডি  অর্থাৎ লাইসারজিক অ্যাসিড ডাই-ইথাইলামাইড অত্যন্ত দামি। তাই অন্ধকার জগতে এক একটি মাদক কিউবের দাম পড়ছে তিন-চার হাজার টাকা। এই ভাবে এলএসডি বিক্রি হওয়ার ঘটনা এই শহরে একেবারে নতুন, এমনটাই জানাচ্ছেন পুলিশ কর্তারা। কসবা থেকে তিন ছাত্রকে গ্রেফতারের পরই বিষয়টি জানতে পারেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা।

আরও পড়ুন: কুকুর খুনে যোগ নেই, তবু সোশ্যাল সাইটে ছবি দিয়ে দুই তরুণীকে পিটিয়ে মারার হুমকি!

কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ দমন) প্রবীণ ত্রিপাঠী বলেন, “শহরে নতুন ধরনের মাদক-কিউব পাওয়া গিয়েছে। সূত্র মারফত তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই চক্রে আর কেউ জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন: হোম ডেলিভারিতে বিলিতি স্কচ-ভদকা! আদতে ওগুলো কী জানতেন?

ধৃতরা প্রত্যেকেই পড়ুয়া। তাঁদের মধ্যে এক জন সৃজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির একটি বেসরকারি কলেজের বিএসসি-র ছাত্র। আর এক জন অরিত্র দাস। তিনি উলুবেড়িয়ার একটি বেসরকারি কলেজে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া। অন্য জন শম্ভু মুখোপাধ্যায় আইন কলেজের ছাত্র। এই তিন জন তাদের ঘনিষ্ঠ বৃত্তে এই ধরনের মাদক বিক্রি করত। সৃজিত এবং অরিত্রকে গ্রেফতারের পর শম্ভুর নাম জানা যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই তিন ছাত্র শুধু এলএসডি নয়, স্কুল-কলেজে চরস, গাঁজা-সহ আরও বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করত।

(শহরের প্রতি মুহূর্তের হেডলাইন, কলকাতার যে কোনও ব্রেকিং নিউজ পেতে ক্লিক করুন আমাদের কলকাতা বিভাগ।)