আলিপুরে নতুন উপনগরী গড়ে তোলার প্রকল্প কত দূর এগিয়েছে? সোমবার নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে কলকাতা পুরসভার কমিশনারের কাছে সেই তথ্য জানতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আচমকা এমন প্রশ্নে কার্যত হকচকিয়ে যান পুর কমিশনার খলিল আহমেদ। তিনি মুখ খোলার আগেই কলকাতার মেয়র তথা পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, ওই প্রকল্পের ডিপিআর তৈরি আছে। কিন্তু ভোট চলার জন্য প্রায় তিন মাস কিছু করা যায়নি। শীঘ্রই রাজ্য সরকারের কাছে সবিস্তার প্রকল্প রিপোর্ট পাঠানো হবে। তা শুনে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, দ্রুত ওই কাজ শেষ করতে হবে।

সেই নির্দেশ মেনে নবান্নের বৈঠক থেকে ফিরেই পুরসভার পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন পুর কমিশনার খলিল আহমেদ। এক পুর আধিকারিক জানান, আলিপুর সংশোধনাগার, জেলাশাসকের অফিস চত্বর সংলগ্ন ফাঁকা জায়গা-সহ বেশ খানিকটা এলাকা জুড়ে ওই উপনগরী গড়ে তোলার পরিকল্পনা আগেই নিয়েছে রাজ্য সরকার। যতটা জমি পাওয়া যাবে, তা দরপত্র ডেকে কোনও সংস্থার হাতে দেওয়া হবে। তারাই গড়ে তুলবে ওই উপনগরী। আর উপনগরীর পরিকাঠামো তৈরি করে দেবে কলকাতা পুরসভা।

এ দিন পুর ভবনের বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী তিন দিনের মধ্যে জমি সংক্রান্ত প্রকল্প-রিপোর্ট মেয়র নিজে রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেবেন। যতটা জমি এখনও পর্যন্ত হাতে পাওয়া গিয়েছে, তার উপরে ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে ওই রিপোর্ট। আর পরিকাঠামো গড়ার জন্য যে প্রকল্প-রিপোর্ট, সেটি তৈরি করছে পুর প্রশাসন। সেই কাজ দ্রুত শেষ করে টেন্ডার ডাকা হবে বলে জানিয়েছেন পুর কমিশনার।