স্ত্রী কিচ্ছুটি জানেন না। অথচ, আচমকাই স্বামীর ঠিকানা হয়ে গেল নেশামুক্তি কেন্দ্র! সম্পত্তির লোভে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন এ কাজ করেছেন বলে অভিযোগ সেই স্ত্রীর। নেশামুক্তি কেন্দ্র থেকে স্বামী সুপ্রতিম সাহাকে বার করার আর্জি জানিয়ে বৃহস্পতিবার লেক টাউন থানার দ্বারস্থ হয়েছেন পাপিনা পুরকায়স্থ সাহা নামে ওই মহিলা।

পাপিনা জানিয়েছেন, ছেলের পড়াশোনার জন্য লেক টাউনের শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে তিনি লেক রোডে বাপের বাড়িতে থাকেন। গত ২৯ নভেম্বর থেকে সুপ্রতিমের খোঁজ মিলছিল না। তাঁর দাবি, শাশুড়ি জ্যোৎস্না সাহাকে ফোন করে তিনি জানতে পারেন, সুপ্রতিমকে একটি রিহ্যাবে ভর্তি করা হয়েছে! তাঁর প্রশ্ন, ‘‘সুস্থ মানুষকে কেন সেখানে পাঠানো হল, তার ব্যাখ্যা দিতে পারেননি আমার শাশুড়ি।’’ পাপিনার অভিযোগ, ‘‘যে নেশামুক্তি কেন্দ্রে উনি রয়েছেন, সেখানে একটা ঘরে তিন জন রোগীর সঙ্গে একটি রাস্তার কুকুরও রয়েছে। কারণ জানতে চাইলে বলা হয়, ওটা চিকিৎসার অঙ্গ! আমি স্ত্রী জেনেও দেখা করতে দেয়নি।’’

জ্যোৎস্না বলেন, ‘‘আমার ছেলে প্রচুর মদ্যপান করত। নেশার ঘোরে আমাদের মারধর করছিল। জিনিসপত্র ভাঙছিল। চার বছর আগে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টাও করেছিল। ছেলের ভাল চাই বলেই নেশামুক্তি কেন্দ্রে দিয়েছি।’’ ষড়যন্ত্রের অভিযোগ খারিজ করে মা বলেন, ‘‘আমার দুই ছেলে ছাড়া সম্পত্তি আর কাকে দেব!  মা ছেলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে?’’