শ্বাস নিলেই শোনা যেত বাঁশির শব্দ। বুকের ডান দিকে অল্প ব্যথাও অনুভব করত বছর পাঁচেকের শিশুটি।

তিন হাসপাতাল ঘুরে শেষ পর্যন্ত সেই বাঁশির অংশ বার করলেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকেরা। শুক্রবার হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের চিকিৎসক সৌমেন বন্দ্যোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসক দীপ্তাংশু মুখোপাধ্যায় এবং রাজাঋক রাহা ওই অস্ত্রোপচার করেন।

পাঁচ বছরের সেই শিশু সারাফুল গাজি এখন আপাতত সুস্থ। তার মা সামিনা বিবি  জানান, দিন কয়েক আগে খেলতে খেলতে আচমকা প্লাস্টিকের বাঁশি গিলে ফেলে ছেলে। স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি বারুইপুর হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সেখানে এক্স-রে করে শিশুটিকে রেফার করা হয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে যাওয়ার পরে সামিনাদের ফের রেফার করা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। অবশেষে সেখানেই বেরোয় বাঁশি।