• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ঘেরাও প্রত্যাহার প্রেসিডেন্সির পড়ুয়াদের

Presidency
প্রবেশিকা পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে তখনও বিক্ষোভ চলছে। শনিবার দুপুরে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছবি: রণজিৎ নন্দী

কর্তৃপক্ষ পডুয়াদের দাবি মেনে নেওয়ায় আড়াই দিন পরে শনিবার রাতে ঘেরাও উঠল প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে শনিবার সকালে মেধা তালিকা বার করেন প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু স্নাতকে ভর্তির কাউন্সেলিংয়ে রেজিস্ট্রেশন ফি না কমানোয় তখন ঘেরাও প্রত্যাহার করেননি প্রেসিডেন্সির আন্দোলনকারী পড়ুয়ারা। পরে রাতে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে ঘেরাও উঠে যায়।

ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্যের ছাত্রী সৌমী নন্দী জানান, কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছেন যে সমস্ত পড়ুয়ারা দুঃস্থ ও প্রয়োজনীয় নথি দিতে পারবেন তাঁরা কাউন্সেলিং ফি ৫০০ টাকা দিলেও পরে ৪০০ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, গত বছর এই ফি ছিল ১০০ টাকা। এ বার সেটাই বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫০০। জানা গিয়েছে, যে সমস্ত দুঃস্থ পড়ুয়া কাউন্সেলিংয়ের জন্য টাকা দিয়েও ভর্তি হতে পারেননি তাঁদের টাকা ফেরত
দেওয়া যায় কি না, সেই বিষয়ে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ। রেজিস্ট্রার দেবজ্যোতি কোনার জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ‘স্টুডেন্টস-এড’ রয়েছে। যাঁরা দারিদ্র সীমার নীচে বসবাসকারী পড়ুয়া এবং আর্থিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্য তাঁদের ওই এড থেকে বর্ধিত ৪০০ টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলে জানান উপাচার্য। এই আশ্বাসের পরে ঘেরাও ওঠে।

কাউন্সেলিং ফি কমানো, মেধা তালিকা প্রকাশের দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে আন্দোলন করছেন পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি, ৪১ হাজার প্রার্থী কাউন্সেলিংয়ে গেলে মাথাপিছু ৫০০ টাকা হিসেবে প্রায় দু’কোটি টাকা আয় হয়। ১৪ হাজার ভর্তি হলে তাঁদের থেকে ৫ হাজার টাকা করে নিলে অঙ্ক দাঁড়ায় ৭ কোটিতে। ভর্তিতে কি এত অর্থ ব্যয় হয়? জয়েন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান মলয়েন্দু সাহাকে ফোন করলেও তিনি ফোন তোলেননি।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন