সুরেন্দ্রনাথ কলেজে গিয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যদের হাতে বেধড়ক মার খাওয়ার অভিযোগ করলেন যাদবপুর এবং প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু পড়ুয়া।

মালদহের গনিখান চৌধুরি ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে চলা ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে গত কয়েকদিন ধরেই কলকাতার অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের সামনে অবস্থান করছেন যাদবপুর এবং প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রছাত্রী। তাঁদের তরফে আগামী ৩১ অগস্ট গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউয়ের সুবর্ণ বণিক সমাজ হলে একটি ছাত্র কনভেনশনের আয়োজন করা হয়েছে। সেই কনভেনশনে গনি খান কলেজের অচলাবস্থা থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি আলোচনার অন্যতম বিষয়। আক্রান্ত ছাত্রদের দাবি, সেই কনভেনশনের প্রচারের জন্য তাঁরা বিভিন্ন কলেজে যাচ্ছেন। তারই অংশ হিসাবে সোমবার দুপুরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে গিয়েছিলেন ১০-১৫ জন পড়ুয়া।

ওই পড়িয়াদের অভিযোগ, এ দিন কলেজে ঢোকার মুখেই তাঁদের পথ আটকান কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা। ওই দলেই ছিলেন প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঋতম দাস। তাঁর অভিযোগ, গেটে ঢোকার মুখেই তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। ব্যাপক মারধরও করা হয় তাঁদের। তিনি বলেন, “ওরা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমাদের কলেজে ঢুকতেও দেবে না বলে। তার পর আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিল লাথি ঘুসি মারতে থাকে। এমনকি, আমাদের সঙ্গে থাকা ছাত্রীদেরও রেয়াত করেনি।”

দেখুন ভিডিয়ো

 

 

 

ঋতমের সঙ্গেই ছিলেন যাদবপুরের মৈনাক মাইতি। তাঁকেও ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঋতমের নাক ফেটে যায়।মৈনাকের ফেটেছে মাথা।মেডিক্যাল কলেজে প্রাথমিক চিকিৎসার পর মুচিপাড়া থানায় অভিযোগ জানান যাদবপুর এবং প্রেসিডেন্সির ওই পড়ুয়ারা।

আরও পড়ুন: জেল থেকেই ‘গেঁদু’র তোলাবাজি! না দেওয়ায় লেকটাউনে তাণ্ডব চালাল 

আরও পড়ুন: এ বার পুলিশের মোবাইলেও মোমো, পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়তেই খুনের হুমকি

যদিও সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। সংগঠনের রাজ্য সহ-সভাপতি মণিশঙ্কর মণ্ডল বলেন, “আমি এরকম কোনও ঘটনার কথা শুনিনি।”

(কলকাতা শহরের রোজকার ঘটনার বাছাই করা বাংলা খবর পড়তে চোখ রাখুন আমাদের কলকাতা বিভাগে।)