কলকাতার মিষ্টি, বিশেষ করে মালাই রোল খেতে খুব ভালবাসেন অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী এস্থার দুফলো। অভিজিতের সঙ্গে নোবেল-বিজয়িনী এস্থার কলকাতায় এলে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা এ বার তাঁকে সেই মালাই রোলই খাওয়াতে চান বলে জানালেন বিভাগীয় প্রধান মৌসুমী দত্ত।

বুধবার মৌসুমীদেবী জানান, ২০১৭ সালে এস্থার এসেছিলেন প্রেসিডেন্সিতে। ছিলেন অভিজিৎও। অর্থনীতিবিদ দম্পতিকে সে-বার উত্তর কলকাতার এক বিখ্যাত দোকানের মিষ্টি খাওয়ানো হয়। মৌসুমীদেবী বলেন, ‘‘অভিজিৎ মিষ্টি খেতে ভালবাসেন, জানতাম। তবে এস্থারও যে কলকাতার মিষ্টি এত ভালবেসে ফেলবেন, তা ভাবতে পারিনি।’’

মৌসুমীদেবী জানান, তাঁরা শুনেছেন, ২২ অক্টোবর অভিজিৎ সস্ত্রীক দিল্লি আসছেন। পরের দিন কিছু ক্ষণের জন্য তাঁদের কলকাতায় আসার কথা। মৌসুমীদেবী বলেন, ‘‘মাত্র এক দিনের জন্য এলেও অভিজিৎ যদি এস্থারকে নিয়ে একটি বার অর্থনীতি বিভাগে আসেন, আমরা খুব খুশি হব। ওঁদের বক্তৃতা শোনার জন্য অধীর আগ্রহে 

অপেক্ষা করছি।’’ অর্থনীতি বিভাগের তরফে অভিজিৎ-এস্থারকে ই-মেল করা হয়েছে বলে জানান মৌসুমীদেবী।

অর্থনীতি বিভাগের নীচের তলায় এ দিন এসএফআইয়ের তরফে অভিজিৎকে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্টার দেওয়া হয়েছে। পোস্টারে ঠাঁই পেয়েছে অভিজিতের অর্থনীতি বিষয়ক কিছু বক্তব্যও। অর্থনীতির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র দীপ্রজিৎ দেবনাথ বলেন, ‘‘অভিজিৎ স্যরের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেলে জানতে চাইব, উনি যে-মাইক্রো ফিনান্সের কথা বলেন, আমাদের দেশে সেটা কী ভাবে প্রয়োগ করলে গরিবেরা উপকৃত হবেন।’’ দীপ্রজিতের মতে, মাইক্রো ফিনান্সের নামে দেশে তো অনেক জায়গায় অবৈধ লগ্নি সংস্থার ব্যবসা চলে। ওই সব বেআইনি লগ্নি সংস্থায় নিজেদের সামান্য পুঁজি লগ্নি করে অনেক গরিব মানুষ সর্বস্বান্ত হয়েছেন।

অভিজিৎকে সংবর্ধনা জানানোর বিষয়ে আজ, বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্সির প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমিটির বৈঠকে আলোচনা হবে।