কয়েক সপ্তাহ আগেই মোবাইল চোর সন্দেহে কালীঘাটে পিটিয়ে এক যুবককে মারার ঘটনা ঘটেছিল। সোমবার রাতে সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটল প্রগতি ময়দান থানা এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে সোমবার রাত পৌনে ১১টা নাগাদ মিলনমেলার ৪ নম্বর গেটের পিছন দিকে মঠেশ্বরতলা রোড থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবককে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। ওই যুবককে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

প্রাথমিক তদন্তে ওই যুবকের দেহে অনেকগুলি আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। পুলিশ সন্দেহ করে মারধর করে খুন করা হয়েছে ওই যুবককে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি নির্মীয়মান বহুতলের নিরাপত্তা রক্ষীর ঘরের পিছনে পাওয়া গিয়েছিল দেহটি। পুলিশ ওই নির্মীয়মান বহুতলের নিরাপত্তা রক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু করে। প্রথমে তাঁরা কোনও কিছু স্বীকার না করলেও, পরে এক প্রত্যক্ষদর্শীর হদিশ পায় পুলিশ। সূত্রের খবর, প্রত্যক্ষদর্শী তাঁদের জানানওই নির্মীয়মান বহুতলের নিরাপত্তা রক্ষী এবং কর্মীরা এক ব্যক্তিকে চোর বলে আটক করে মারধর করছিল।

আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণী, সপ্তাহান্তে রাজ্যে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস

আরও পডু়ন: দলের ধমক খেয়েই মিডিয়ার ঘাড়ে দায় চাপালেন অনুপম, ‘কেষ্টকাকু’ ২৪ ঘণ্টাতেই ‘কেষ্টদা’

সেই সূত্র ধরে নির্মীয়মান বহুতলে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। সেখানে দেখা যায় কয়েকজন মিলে মারধর করছে ওই যুবককে। এরপর বহুতলের নিরাপত্তারক্ষীরা জেরায় স্বীকার করেন, ওই যুবক বহুতলের মধ্যে ঢুকে গিয়েছিল। চোর সন্দেহে তাঁকে মারধর করা হলে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ অনুসারে ছ’জনকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করেছে। তারা প্রত্যেকেই ওই বহুতলের কর্মী এবং নিরাপত্তা রক্ষী। তবে ৩৮ বছর বয়সী মৃত ওই যুবকের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তাঁর পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।