মোবাইলের টাকা জোগাড় করতে একটি বালককে অপহরণের অভিযোগ উঠল একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রের বিরুদ্ধে। অপহৃত বালককে একটি স্কুল থেকে উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, অপহরণকারী কিশোর ওই বালকের দু’টি হাত আঠা দিয়ে আটকে দিয়েছিল। লিউকোপ্লাস্ট দিয়ে জুড়ে দিয়েছিল ঠোঁট। চোখে কাপড় বেঁধে গলায় আটকে দিয়েছিল তারের বেল্ট। ওই অবস্থাতেই তাকে উদ্ধার করেন এলাকাবাসী। সোমবার রাতে তাকে উদ্ধারের পরে স্কুলেই লুকিয়ে থাকা অভিযুক্ত কিশোরকে ধরে ফেলে ক্ষিপ্ত জনতা। শুরু হয় মারধর। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেলে অভিযুক্ত ও তার দুই বন্ধু মোবাইল কিনতে বেড়াচাঁপা বাজারে আসে। ২১ হাজার টাকার একটি মোবাইল নেওয়ার পরে টাকা দিতে না পারায় তিন জনকে আটকে রাখেন দোকান-মালিক। বাড়ি থেকে টাকা আনার কথা জানালে এক জনকে ছাড়েন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, এর পরেই বছর দশেকের এক প্রতিবেশী বালককে ডেকে স্কুলে নিয়ে যায় ওই কিশোর। দোতলায় নিয়ে গিয়ে তার মুখে লাগিয়ে দেয় লিউকোপ্লাস্ট, চোখে বেঁধে দেয় কালো কাপড়। বাধা দিতে গেলে বালকটির দু’হাতের তালু আঠা দিয়ে জুড়ে দেয় সে। স্কুলের ছাদ থেকে গোঙানির শব্দ পেয়ে স্থানীয়েরা বালকটিকে উদ্ধার করেন। পুলিশের দাবি, জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছে, তার বাবা-মা বাড়ি ছিলেন না। সেই সুযোগে আলমারি থেকে টাকা চুরি করে মোবাইলের দোকানে যায় সে। ফোনের বাকি টাকা জোগাড় করতেই অপহরণের ছক কষে ওই কিশোর।