নম্বরে রেকর্ড হয়েছে। রেকর্ড হয়েছে পাশের হারেও। এ বছরের মাধ্যমিকের মেধা-তালিকায় প্রথম ১০টি স্থানে জায়গা পেয়েছে ৫১ জন পরীক্ষার্থী। কিন্তু তাদের মধ্যে দু’টি সরকারি স্কুলের পড়ুয়া আছে মাত্র তিন জন। সরকারি স্কুলের ফল আশানুরূপ হয়েছে বলে মনে করছেন না বেশ কয়েকটি সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকেরা। তাঁদের মতে, ফল আরও ভাল হওয়া দরকার ছিল। 
হিন্দু স্কুলের প্রধান শিক্ষক শুভ্রজিৎ দত্ত জানান, হুগলি কলিজিয়েট স্কুল ও বাঁকুড়া জেলা স্কুলের তিন জন ছাত্র প্রথম দশের মধ্যে আছে। বাকি সরকারি স্কুলগুলি থেকে কোনও পরীক্ষার্থীই প্রথম দশের তালিকায় আসেনি। ‘‘এই ফলাফলে আমরা বেশ নিরাশ। সরকারি স্কুলে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা আছে। পড়াশোনাও ভাল হয়। কী করে এই ফল আরও ভাল করা যায়, তার পথ খুঁজতে আমরা শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসব,’’ বললেন শুভ্রজিৎবাবু। 
বেথুন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শাশ্বতী অধিকারীর মতে, ‘‘মেধা-তালিকায় সরকারি স্কুলের বেশি পড়ুয়া না-থাকলেও সামগ্রিক ফল ভালই হয়েছে।’’ কলকাতার এই দুই প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষিকার মতে, সরকারি স্কুলগুলিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হয়। তাই বেছে নেওয়ার সুযোগ মেলে না। সব ধরনের পড়ুয়াকে গড়ে তুলতে হয় তাঁদেরই। সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৌগত বসুর মতে, সরকারি স্কুলে অজস্র পদ খালি। প্রশাসনিক অনেক পদেও লোক নেই। তার মধ্যে ফল সার্বিক ভাবে সন্তোষজনক। তবে আরও ভাল দরকার ছিল। বিশেষত ‘এএ’ (৯০ থেকে ১০০ নম্বর ) পাওয়া উচিত ছিল আরও বেশি পরীক্ষার্থীর।