• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বন্ধ ৪ নম্বর জেটি, ভিড়ের চাপে আশঙ্কা

crowd
বন্ধ-পরিষেবা: ভেসেল পরিষেবা চালু না থাকায় ঘাটে বেড়ে যাচ্ছে ভিড়। কচুবেড়িয়া ঘাটে। নিজস্ব চিত্র
কাকদ্বীপ: শ্রাবণ মাসে গঙ্গাসাগরে কপিল মুনির আশ্রমে জল ঢালতে হাজির হচ্ছেন প্রচুর সাধু-সন্ন্যাসী। এ দিকে, সপ্তাহখানেক হল লট ৮ ঘাটের ৪ নম্বর জেটি ভেঙে রয়েছে। গঙ্গাসাগর মেলায় দুর্ঘটনায় ৬ জনের প্রাণহানির স্মৃতি এখনও টাটকা। তার উপরে একটি জেটি বন্ধ থাকায় উপচে পড়া ভিড়ে ফের কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, তা নিয়ে আশঙ্কায় নিত্যযাত্রী, তীর্থযাত্রীরা।
৪ নম্বর জেটিঘাট বন্ধ থাকায় কম নাব্যতাযুক্ত ১ নম্বর ঘাট থেকেই সাগরের কচুবেড়িয়া ঘাটে ফেরি পারাপার হচ্ছে। কিন্তু কেবলমাত্র জোয়ারের সময়েই এই ঘাটটি ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। সব মিলিয়ে সারা দিনে মাত্র ঘণ্টা তিনেক খোলা থাকছে ঘাট। ফলে সেখানে ভিড়ের চাপ থাকছে। ঘাট ভেঙে কোনও বিপত্তি না হয়, তা-ই ভাবাচ্ছে প্রশাসনের কর্তাদের।
ফুলডুবির বাসিন্দা নিত্যযাত্রী অরিন্দম মাইতি বলেন, ‘‘শনিবার জল কম থাকায় বিকেল সাড়ে ৪টের পরে আর ফেরি চলেনি। চলেছে রাত ১১টায়। তা-ও অল্প সময়ের জন্য। বেশিরভাগ দিনই রাত দু’টো-আড়াইটের সময়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।’’ তাঁর মতে, সারা বছর ড্রেজিং হলে ফেরি পারাপারে এই সমস্যা থাকার কথা নয়।
এর আগে জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে মুড়িগঙ্গায় সারা বছর ড্রেজিংয়ের দাবি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে করেছিলেন সাগরের বিধায়ক বঙ্কিম হাজরা। মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাসও দিয়েছিলেন। বঙ্কিমবাবুর দাবি, ‘‘ড্রেজিংয়ের বিষয় নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্র অনুদান দিচ্ছে না। তবে জেলাশাসকের সঙ্গে পদস্থ আধিকারিকেরা এ বিষয়ে কয়েক দফা আলোচনা করেছেন।’’
স্থানীয় বাসিন্দা ও তীর্থযাত্রীদের অভিযোগ, গঙ্গাসাগর মেলার মতো ভিড় সামাল দিতে পুলিশ-প্রশাসনের যে ভূমিকা দেখা যায়, শ্রাবণের এই ভিড় সামাল দেওয়ার কাজ সে ভাবে হচ্ছে না। থানা থেকে যেটুকু নিয়ন্ত্রণ করার, মাত্র সেটুকুই হচ্ছে। যদিও পুলিশ-প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হচ্ছে। যতটা বেশি সম্ভব পরিষেবা বাড়িয়ে কাজ করা হচ্ছে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন