কাটমানি-সহ নানা অভিযোগে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষ, যার জেরে জাতীয় সড়ক অবরোধ, থানা ঘেরাওকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার উত্তাল হয়ে উঠল মধ্যমগ্রাম। এ দিন দুপুরে মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় বিজেপির আধ ঘণ্টা অবরোধের জেরে ৩৪ এবং ৩৫ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দীর্ঘ ক্ষণ যানজটে নাকাল হতে হয় কলকাতা থেকে বারাসত-সহ উত্তরবঙ্গগামী মানুষকে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, কাটমানি ফেরত, দলীয় কর্মীদের উপরে হামলার প্রতিবাদে এ দিন বারাসত ১ এবং ২ নম্বর ব্লক, আমডাঙায় বিডিও অফিসে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি জমা দিতে যায় বিজেপি। 

বারাসত দু’নম্বর ব্লকের মারপাড়ায় বিডিও-র কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার সময়ে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা বিজেপির কর্মীদের মারধর করেন বলে অভিযোগ। জখম সাত বিজেপি কর্মীকে মধ্যমগ্রাম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়।

এই হামলার প্রতিবাদেই দুপুর দেড়টা থেকে বিজেপির সমর্থকেরা মধ্যমগ্রাম চৌমাথা অবরোধ করেন। অবরোধের ফলে যানজট ছড়িয়ে পড়ে বিমানবন্দর থেকে বারাসত পর্যন্ত। পরে পুলিশ গিয়ে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তোলে। এর পরেই দোষীদের শাস্তির দাবিতে মধ্যমগ্রাম থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান ওই বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনকে আগে জানিয়ে স্মারকলিপি জমা দিতে গেলেও তৃণমূলের কর্মীরা 

সেখানে গিয়ে হামলা চালিয়েছেন। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরাই তাঁদের উপর হামলা চালিয়েছেন। তবে এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।