• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বাসে বাদুড়-ঝোলা হয়ে কাজে গেলেন অনেকে

Lockdown
ঘটকপুকুর বাসস্ট্যান্ডের চিত্র। নিজস্ব চিত্র

অন্যান্য দিনের তুলনায় সোমবার রাস্তাঘাটে যাত্রিবাহী গাড়ির সংখ্যা ছিল কম। তবে জনতা কার্ফুর জেরে রবিবার সে ভাবে রাস্তায় না বেরোলেও এ দিন প্রতিদিনের মতো কাজে বেরোন অনেকেই। বাসগুলিতে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ঘটকপুকুর বাসস্ট্যান্ড থেকে এ দিন বিভিন্ন রুটের বেশ কয়েকটি বাস ছাড়ে। ট্রেন না চলায় এ দিন অনেকেই গন্তব্যে পৌঁছনোর জন্য বাস ধরেন। ফলে বাসগুলিতে ভিড় বাড়ে। কার্যত বাদুড়-ঝোলা হয়ে যাতায়াত করতে হয় যাত্রীদের। চিকিৎসার জন্যও এ দিন কলকাতায় যান অনেকে।

বানতলা চর্মনগরীতে এ দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম হয়। কাজে যোগ দিতে যাওয়ার জন্য অনেক শ্রমিক সকাল থেকেই ঘটকপুকুর বাসস্ট্যান্ডে ভিড় জমান।

প্রশাসনের তরফে যেখানে সব রকম জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেখানে এক সঙ্গে একই জায়গায় এত শ্রমিকের কাজ করা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বানতলা চর্মনগরীর ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চর্মশিল্পের কাঁচামালের প্রসেসিংয়ের জন্য ট্যানারি খোলা রাখতে হয়েছে। না হলে কাঁচামাল নষ্ট হয়ে গিয়ে কয়েক কোটি টাকা লোকসান হবে। তবে চামড়ার ব্যাগ, বেল্ট-সহ অন্যান্য উপকরণ তৈরির কারখানাগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার থেকে বাকি কারখানাগুলিও বন্ধ রাখা হবে বলে জানান তাঁরা।

ডায়মন্ড হারবার শহরের উপর দিয়ে সারা দিনে কয়েক’শো বাস চলে। কলকাতাগামী গাড়ি যেমন চলে, তেমনই কাকদ্বীপ, নামখানা, রায়দিঘি ও পাথরপ্রতিমার দিকেও বাস যায়। তবে সোমবার বাসের সংখ্যা ছিল খুবই কম। রাস্তাঘাট ছিল সুনসান। হাতে গোনা কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি বাস অবশ্য চলাচল করেছে। বাস কম চলায়, যেগুলি চলেছে, তাতে যাত্রীদের ভিড় ছিল। কিছু টোটো-অটোও চলেছে। ক্যানিং, জয়নগরের মতো এলাকাগুলিতে যাত্রী-পরিবহণের প্রধান ভরসা ট্রেন। কিন্তু ট্রেন বন্ধ থাকায় এ দিন অধিকাংশ মানুষই বাইরে বেরোননি। স্টেশন চত্বর, প্ল্যাটফর্মগুলি ফাঁকাই ছিল। স্থানীয় পরিবহণের জন্য রাস্তায় কিছু অটো, টোটো, ছোট গাড়ি চোখে পড়ে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন