• নির্মল বসু
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ফের বসিরহাটে জ্বরে মৃত্যু, ক্ষোভ

Sister, daughter and son
স্বজনহারা: লাইলি বিবির সন্তান ও দিদি। ছবি: নির্মল বসু

 একমাত্র উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র মাসের বেশির ভাগ দিন বন্ধ থাকে। জঞ্জাল সাফাই বা মশা নিধনে পঞ্চায়েতের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ নয় গ্রামবাসীদের। এই অবস্থায় বসিরহাটের চৈতা পঞ্চায়েতের মালতিপুর গ্রামে জ্বরে এক মহিলার মৃত্যুতে সেই ক্ষোভ বাড়ল।

বুধবার গভীর রাতে ধান্যকুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে কলকাতার আর জি কর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করানোর সময়ে পথেই মারা যান জ্বরে আক্রান্ত লাইলি বিবি (২২) নামে ওই মহিলা। এই নিয়ে প্রায় দেড় মাসে জ্বরে বসিরহাটের চার জনের মৃত্যু হল। বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত লাইলির মৃত্যুর শংসাপত্র হাতে পায়নি তাঁর পরিবার। ফলে, ঠিক কী কারণে তিনি মারা গেলেন, তা জানা যায়নি। তবে, পরিবারের লোকজনের আশঙ্কা, লাইলির ডেঙ্গি হয়েছিল।

বসিরহাটের বিভিন্ন এলাকায় বহু মানুষ জ্বরে ভুগছেন। দিন চারেক আগে জ্বরে আক্রান্ত লাইলিকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়েছিল। পরের দিন তাঁকে ভর্তি করানো হয় ধান্যকুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে। বুধবার ওই হাসপাতালে লাইলির রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু সেই রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট মেলেনি। পরিবারের দাবি, ওই রাতে লাইলির মাথায় তীব্র যন্ত্রণা এবং ঘন ঘন বমি হতে থাকে। চিকিৎসক তাঁকে কলকাতার আর জি কর হাসপাতালে ‘রেফার’ করেন। গভীর রাতে কলকাতায় আনার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

চার ছেলেমেয়েকে নিয়ে বাড়িতে একাই থাকতেন লাইলি। তাঁর স্বামী আবুল হোসেন দমদমে ভ্যান চালানোর কাজ করেন। লাইলিকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিলেন গ্রামবাসীরাই। তাঁর মৃত্যুতে ফের আতঙ্ক ছড়িয়েছে ওই এলাকায়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি জ্বর, অথচ গ্রামে কোনও স্বাস্থ্য শিবির করা হয়নি। মশা মারার জন্য পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার বা তেল ছড়ানো হচ্ছে না। উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের দরজা মাঝেমধ্যে খোলা হলেও চিকিৎসকের দেখা মেলে না। স্বাস্থ্যকর্মীরাই ওষুধ দেন।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন