স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে দেখেছিলেন রেললাইনে ফাটল রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষকে জানানোর পাশাপাশি, ওই লাইনে ট্রেন আসতে দেখে সকলে মিলে রেললাইনে দাঁড়িয়ে লাল গামছা নাড়াতে শুরু করেন। যা দেখে দাঁড়িয়ে পড়ায় বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল লোকাল ট্রেন। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সকালে খড়দহ ও সোদপুর স্টেশনের মাঝে।

স্থানীয় সূত্রের খবর, এ দিন সকাল ৯টা নাগাদ শিয়ালদহ মেন শাখার খড়দহ ও সোদপুর স্টেশনের মাঝে দু’নম্বর আনন্দনগর এলাকায় এক নম্বর আপ-লাইনে ফাটল দেখতে পান স্থানীয়েরা। বিষয়টি দেখেই কয়েক জন খড়দহের স্টেশন মাস্টার অফিসে খবর দিতে ছুটে যান। এর মধ্যেই ওই লাইনে আপ ব্যারাকপুর লোকাল আসতে দেখে আনন্দনগর শতদলপল্লির পুরুষ ও মহিলারা লাল গামছা নিয়ে রেললাইনে নামেন। সকলে মিলে সার দিয়ে লোকাল ট্রেনের চালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে গামছা ওড়াতে থাকেন। বিপদ সঙ্কেত দেখতে পেয়ে চালক ট্রেন থামিয়ে দেন। চালক ও গার্ডের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে রেলের আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়ারেরা ঘটনাস্থলে চলে আসেন। 

স্থানীয় বাসিন্দা সুমিত্রা দাস বলেন, ‘‘বড় দু‌র্ঘটনা আটকাতে আমরা ঝুঁকি নিয়েও লাইনে নেমে গামছা নাড়াই।’’ রেল সূত্রের খবর, তড়িঘড়ি ওই ফাটল মেরামতির কাজ শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ওই লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। ওই ঘটনার ফলে শিয়ালদহ মেন শাখার এক নম্বর লাইনে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়।