বাইক মিছিলে ‘না’ পুলিশের, পায়ে হেঁটে প্রচার সায়ন্তনের
সায়ন্তনের অভিযোগ, দু’দিন আগে সন্দেশখালিতে তৃণমূল প্রার্থী শতাধিক বাইক নিয়ে মিছিল করে সভাস্থলে যান।
BJP

বাদানুবাদ: পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়ালেন বিজেপি প্রার্থী। নিজস্ব চিত্র

বিজেপির বাইক মিছিল বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছিল পুলিশ। যা নিয়ে প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলছে পদ্মশিবির। 

শনিবার হাড়োয়ায় এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। উভয় পক্ষের মধ্যে কিছুক্ষণ বচসা চলে। পরে বসিরহাট লোকসভার বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসু সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার পথ হেঁটেই প্রচার চালান। পৌঁছে যান হাড়োয়া বাজারে। পুলিশের পক্ষে অবশ্য দাবি করা হয়েছে, প্রচারে বাধা দেওয়া হয়নি। প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের নিষেধটুকু স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন সকালে হাড়োয়ার গোপালপুর থেকে বিজেপি প্রার্থীকে নিয়ে একটি ট্যাবলো-সহ শতাধিক বাইকের মিছিল বেরোয়। সায়ন্তন ছিলেন ট্যাবলোয়। বিজেপির অভিযোগ, মিছিল কেন্দুয়া অঞ্চলে প্রচার করার পরে হাড়োয়ার দিকে যাওয়ার পথে পুলিশ পথ আটকায়। এতগুলি বাইক নিয়ে মিছিল করা যাবে না বলে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের কথা উল্লেখ করে। ট্যাবলোর সঙ্গে খান পঞ্চাশ বাইক যে ছিল, তা মানছেন প্রার্থী নিজেও। যদিও সায়ন্তনের দাবি, বাইক মিছিল করা হয়নি। মানুষ নিজেরাই প্রচারে সামিল হয়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, ‘‘কখনও পুলিশ দিয়ে, কখনও ভয় দেখিয়ে দোকান-বাজার বন্ধ করে শাসক দলের পক্ষে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’’ 

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

সায়ন্তনের অভিযোগ, দু’দিন আগে সন্দেশখালিতে তৃণমূল প্রার্থী শতাধিক বাইক নিয়ে মিছিল করে সভাস্থলে যান। তখন পুলিশ নির্বাচন বিধির কথা বলে তাদের আটকায়নি। প্রয়োজনের পুলিশের আচরণের বিরুদ্ধে তাঁরা নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী।

সন্দেশখালি নিয়ে তৃণমূল নেতা ফিরোজ কামাল গাজি বলেন, ‘‘ওখানে দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ প্রার্থীকে দেখতে এসেছিলেন। তাঁরা অনেকে বাইকেই আসেন। তবে দলের তরফে কোনও বাইক মিছিল করা হয়নি।’’