ফের গাইঘাটায় জ্বরে আক্রান্ত এক বৃদ্ধের মৃত্যু হল। তাঁর পরিবারের দাবি, মৃত্যুর কারণ ডেঙ্গি।

বুধবার সকালে গাইঘাটার আমনকান্দিয়া এলাকার বাসিন্দা কুমারেশ কুণ্ডু (৬৪) নামে ওই বৃদ্ধ জ্বরে আক্রান্ত হন। পরিবারের লোকজন বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে অশোকনগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানেই শুক্রবার দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতালে তাঁর মৃত্যুর শংসাপত্রে অবশ্য শ্বাসযন্ত্র বিকল (কার্ডিয়ো-রেসপিরেটরি ফেলিয়োর) হওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাঁর ছেলে গৌতমের দাবি, ‘‘জ্বর হওয়ার পরেই বাইরে থেকে আমরা বাবার রক্ত পরীক্ষা করিয়েছিলাম। এলাইজা পরীক্ষায় ডেঙ্গির জীবাণু ধরা পড়েছিল। তাতেই বাবা মারা গিয়েছে।’’           

কিছুদিন ধরেই গাইঘাটায় জ্বর-ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দিয়েছে। পাঁচ জনের মৃত্যুও হয়েছে। শনিবার আমনকান্দিয়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেল, ডোবায় বৃষ্টির জমা জলে মশার লার্ভা ভেসে বেড়াচ্ছে। চারদিকে ঝোপ-জঙ্গল। কুমারেশবাবুর বাড়ির নলকূপের পাশের গর্তেও জল জমে রয়েছে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, ডেঙ্গি প্রতিরোধে পঞ্চায়েত আরও তৎপর হলে এই মৃত্যু ঠেকানো যেত। এলাকাটি ধর্মপুর-২ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত। পঞ্চায়েত প্রধান নীলাদ্রি ঢালির দাবি, ‘‘ওই এলাকায় নিয়মিত মশা মারার তেল এবং চুন-ব্লিচিং পাউড়ার ছড়ানো হয়।’’ কুমারেশবাবুর জন্য পুজোয় ধুতি-পাঞ্জাবি কেনা হয়েছিল। সেই পোশাক পরিয়েই তাঁর মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়।