ছোট পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা জ্ঞাণীগুণী মহলে নজর কেড়েছে বসিরহাটে।

‘শাশ্বত আলাপন’ পত্রিকার সম্পাদক ব্যাসদেব গায়েন এ বারের শারদ পত্রিকায় নারী শক্তির নানা দিক তুলে ধরেছেন চোদ্দটি প্রবন্ধে। এ ছাড়া রয়েছে গল্প, কবিতার সম্ভার। রথীন রায়ের ‘ভারতের প্রথম শিক্ষিকা জ্ঞানজ্যোতি সাবিত্রীবাই ফুলে,’ প্রজ্জ্বল পালের ‘লীলাবতি ও ভাস্করাচার্য’ এবং বিশ্বজিৎ লায়েকের ‘সাঁঝে ফোটা ঝিঙাফুল সকালে মলিন গো’ প্রবন্ধ উল্লেখযোগ্য।

‘তরঙ্গ প্রবাহ’ পত্রিকার সম্পাদক জয়ন্তী চট্টোপাধ্যায় নিজের পত্রিকায় পাঁচটি গল্প, পঁয়ত্রিশটি কবিতা এবং একটি করে নাটক ও প্রবন্ধ রেখেছেন।

দীপক আঢ্যের ‘বিবস্বান’ পত্রিকায় স্থান পেয়েছে এক গুচ্ছ আধুনিক কবিতা। আছে প্রবন্ধ, ভ্রমণ কাহিনী এবং গল্পও। এই পত্রিকায় অনুপম মুখোপাধ্যায়ের ‘ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে বসিরহাট’ প্রবন্ধটি তথ্যভিত্তিক।

সরোজকুমার মাইতির ‘কাশফুল’ পত্রিকায় স্থান পেয়েছে নতুনদের নিয়ে ছড়া, কবিতা এবং গল্প। সৌমদীপ ঘোষ, দিগন্ত মণ্ডল, রোহন মণ্ডল, দেবাংশু ঘোষদের গল্প-কবিতা পাঠকদের মন ছুঁয়ে যায়। পরেশ ভট্টাচার্যের গল্প উল্লেখযোগ্য।

‘মর্ত্যলোক’ পত্রিকার সম্পাদক শেখর কুণ্ডু ও ‌প্রিন্স আলি নতুন-পুরনোদের কবিতার উপরে গুরুত্ব দিয়েছেন। এই পত্রিকায় সোমনাথ পাল এবং আলি ফজর আল জামালের কবিতার মান বেশ ভাল।

বেশ কয়েকটি প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে বিপ্লব চক্রবর্তীর ‘ইচ্ছেনদী’ পত্রিকায়। বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়, উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ, সোফিয়ার রহমানের ‘সম্প্রতি’ গল্পটি উল্লেখযোগ্য। ‘বিবেক’ পত্রিকায় উত্তম সেন কবিতার উপরে গুরুত্ব দিয়েছেন। বিবেকে কাজি, মুর্শিদুল আরেফিনের কবিতা ‘হানাহানি’ এবং অনিল ঘোষ, মৃন্ময় সমীরণ নন্দী ও অদীপ ঘোষের লেখা প্রশংসার দাবি রাখে।

অম্লান চক্রবর্তী ‘দ্রিঘাংচু’ পত্রিকায় আধুনিক কবিতা এবং প্রবন্ধের পাশাপাশি অরিন্দম ঘোষের লেখা ‘টাকি রোড, কিছু অজানা কথা’ পড়তে ভাল লাগে পাঠকের।

শ্রুতিধর মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘সহযাত্রী’ পত্রিকায় প্রতিষ্ঠিত লেখকদের প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে। অমর মিত্রের লেখা ‘এই জীবন,’ প্রশান্ত মাঝির ‘উদয়ন ঘোষ, তার হাতে জ্যান্ত কেউটে’ এবং প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ‘অথ বৃহন্নলা কথা’ পাঠকদের মননে প্রবেশ করে।