ওয়াইল্ড লাইফ প্রোটেকশন অ্যান্ড ক্রিমিন্যাল ব্যুরো দীর্ঘদিন ধরে তার উপর নজর রাখছিল। কিন্তু কোনও ভাবে তার নাগাল পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে আন্তর্জাতিক বন্য প্রাণী ও পাখিপাচার চক্রের সেই মূল পাণ্ডা বছর চব্বিশের সোহেল খান গ্রেফতার হল।

শনিবার রাতে পেট্রাপোল থানার পুলিশ স্থানীয় হরিদাসপুর এলাকা থেকে সাদা ইঁদুর, গিনিপিগ ও হ্যামস্টার উদ্ধার করেছে। বাংলাদেশ থেকে এনে পাচারের উদ্দশ্যে সেগুলিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আটজনকে গ্রেফতার করে। এদের মধ্যেই রয়েছে আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের ওই পাণ্ডা। পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে তদন্তকারী অফিসার সোহেলের পরিচয় জানতে পারেননি। পরে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে মূল পাণ্ডাই ধরা পড়েছে। রবিবার ধৃতদের বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছিল। তাদের ১৪ দিনের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। পুলিশ এখন সোহেলকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানাতে চলেছে। কে এই সোহেল? পুলিশ  জানিয়েছে, সোহেলের বাড়ি মুম্বই। সে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভাবে বাংলাদেশ থেকে বন্য প্রাণী ও পাখি এ দেশে এনে তা মুম্বইয়ের ক্রোফর্ড মার্কেট এলাকায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করত। পাকিস্তানের একটি পাচারচক্রের সঙ্গেও সোহেলের যোগাযোগ রয়েছে বলে পুলিশের দাবি।