• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ছেলেরা দেখেন না, পুলিশের দ্বারস্থ প্রৌঢ়া

Kalpana Das
পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাচ্ছেন কল্পনা দাস। —নিজস্ব চিত্র।

বছর সাতেক আগে স্বামী মারা গিয়েছেন। বারুইপুরের পুরন্দরপুরের মিস্ত্রিপাড়ার কল্পনা দাসের বয়স এখন ৫৮ বছর। বৃহস্পতিবার রাতে বারুইপুর থানায় এসে কল্পনাদেবী অভিযোগ করেন, স্বামী সুধীন দাস মারা যাওয়ার পরে ছেলে-বৌমাকে নিয়ে সংসার করছিলেন তিনি। কিন্তু গত আট মাস হল বড় ছেলে শিবনাথ দাস ও বড় বৌমা মাম্পি দাসের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না। রেশনের ২ টাকা কেজি চালেই কোনও রকম দিন চালাতে হচ্ছে তাঁকে। পুলিশ জানায়, বড় ছেলের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি কিছু দিন ছোট ছেলে ও ছোট বৌমার কাছে থাকছিলেন। কিন্তু কল্পনাদেবীর অভিযোগ, এখন ছোট ছেলেও তাঁকে আর খাবার দিচ্ছেন না। ছেলে ও বৌমারা তাঁকে মারধর করছেন বলেও পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কল্পনাদেবী।

পুলিশ জানায়, কল্পনাদেবী ছেলে ও বৌমাদের বিরুদ্ধে মারধর ও খেতে না দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ, কয়েক দিন ধরেই বড় ছেলে ও বড় বৌমা তাঁর উপরে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাচ্ছিলেন। এ দিন ওই প্রৌঢ়া অত্যাচারের পাশাপাশি বাড়ি থেকে বার করে দেওয়ার অভিযোগও জানিয়েছেন বড়
ছেলে ও বৌমার বিরুদ্ধে। তদন্তকারী অফিসারদের কাছে তাঁর আবেদন, এই অত্যাচার বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে। রাতেই বারুইপুর থানার অফিসারেরা কল্পনাদেবীকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। তার পরে তাঁকে বাড়িতেও দিয়ে আসা হয়। এক পুলিশ কর্তার কথায়, কল্পনাদেবীর ছেলে ও বৌমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কল্পনাদেবীর বড় ছেলে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন। ছোট ছেলে রাজ্য পুলিশ দফতরে কাজ করেন। বড় ছেলে শিবনাথ অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁর মায়ের এই অভিযোগ ঠিক নয়। তিনি বলেন, ‘‘মা মাঝেমধ্যে নিজেই বাড়ি ছেড়ে চলে যান। মারধরের কোনও প্রশ্নই ওঠে না।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন