• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বাগানে শৌচকর্ম, সাপের কামড়ে মৃত্যু

Snake
প্রতীকী ছবি।

Advertisement

বাড়ির বাইরে বাগানে গিয়ে শৌচকর্ম করার সময়ে সাপ কামড়াল এক ছাত্রকে। শনিবার রাতে তাকে সাপে কামড়ায়। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অনির্বাণ নস্কর (১৪) নামে দশম শ্রেণির এক ছাত্রের। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থানার অধীনে শঙ্করপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশবপুরের বাসিন্দা ছিল ওই ছাত্র।

সরকারের তরফে বারবার বাড়িতে শৌচাগার তৈরি করে প্রাকৃতিক কাজ সারার প্রচার চালানো হচ্ছে। তা সত্ত্বেও যত্রতত্র শৌচকর্ম সারার প্রবণতা এখনও যে মানুষের ভিতর থেকে কমেনি ওই ছাত্রের মৃত্যু তার উদাহরণ। যদিও ওই ছাত্রের বাড়িতে শৌচাগার রয়েছে। তাঁর পরিবারের দাবি, রাতে ঘরে লেখাপড়া করছিল অনির্বাণ। কোন ফাঁকে সে বাগানে শৌচকর্ম করতে গিয়েছিল তা তাঁরা জানতেন না। এমনকি বাগানে শৌচকর্ম করতে যাওয়ার এমন নিদারুণ পরিণতি হতে পারে, তা তাঁরা ভাবতেই পারেননি বলে দাবি ওই পরিবারটির।

বারুইপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, অনির্বাণের দেহ ময়না-তদন্ত করতে পাঠানো হয়েছে। ওই ছাত্র মগরাহাট বন সুন্দরিয়া হাইস্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। সাপে কামড়ানোর পরে শনিবার রাতেই তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিবার সকালে মারা যায় সে।

তার পরিবার সূত্রে খবর, শৌচকর্ম করে এসে রাতের খাবার খেয়ে সে শুয়ে পড়েছিল। রাত ১০টা নাগাদ পায়ে যন্ত্রণা শুরু হয়। সেইসঙ্গে মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা উঠতে থাকে। এর পরেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসকেরা জেনেছেন, পায়ে কিছু একটা কামড়েছে ভেবে ওই ছাত্র তাতে গুরুত্ব দেয়নি। রাতের খাওয়া দাওয়া সেরে সে ঘুমিয়ে পড়ে। তার জেরেই সাপের বিষ ছাত্রটির সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি তা মস্তিষ্কেও পৌঁছয়। চিকিৎসকেদের দাবি, হাসপাতালে আসার পরে ওই ছাত্র চিকিৎসা নেওয়ার অবস্থায় ছিল না।

ঘটনার পরে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের এক কর্তার কথায়, ‘‘শৌচালয়ে শৌচকর্ম করা নিয়ে নিয়মিত পঞ্চায়েতের তরফে প্রচার করা হয়। তা সত্ত্বেও মানুষ সচেতন হচ্ছেন না।’’ সর্প বিশারদেরা জানান, বর্ষার সময়ে ঝোপ-জঙ্গলে চন্দ্রবোড়া সাপের বংশবৃদ্ধি হয়। ঝোপে-জঙ্গলে ওই সাপ জড়িয়ে থাকে। অনির্বাণকে চন্দ্রবোড়া কামড়েছিল বলেই প্রাথমিক ভাবে অনুমান চিকিৎসকেদের। তাঁরা জানান, ওই ছাত্রের নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন