এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে বাসন্তীতে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ লেগেই রয়েছে। ব্লক যুব সভাপতি আমান লস্করের গোষ্ঠীর সঙ্গে ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মন্টু গাজি গোষ্ঠীর লাগাতার সংঘর্ষে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ। গত কয়েক দিনে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে শিমুলতলা, পানিখালি-সহ বিভিন্ন জায়গায় ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানোর ঘটনাও ঘটেছে।

সম্প্রতি এই নিয়ে দলের রাজ্য সভাপতি যুযুধান দুই গোষ্ঠীর নেতাদের ডেকে সাবধান করে দিয়ে বলেছিলেন, বাসন্তীতে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বরদাস্ত করা হবে না। তিন মাস পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হবে। তারপরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি।

কিন্তু তারপরেও টনক নড়েনি যুযুধান দুই গোষ্ঠীর। বুধবার জেলার সহ সভাপতি শক্তি মণ্ডলের নেতৃত্বে জেলা তৃণমূলের ন’জন সদস্যের এক প্রতিনিধি দল বাসন্তীর পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে আসেন। তাঁরা বাসন্তীর ফুলমালঞ্চ অঞ্চলের পানিখালি-সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিধি দলকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দুই গোষ্ঠীর লোকজন। দুই গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে আলাদা ভাবে কথা বলেন প্রতিনিধি দলের সদস্যেরা।

শক্তিবাবু বলেন, ‘‘দলের নির্দেশে বাসন্তীর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসেছিলাম। অনেকে তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পুরো বিষয়টি আমরা দলের রাজ্য সভাপতি, জেলা সভাপতি ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রিপোর্ট দেব।’’

স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, দলের নমনীয় মনোভাবের জন্যই বাসন্তীতে এত গণ্ডগোল। এখন দেখার, এরপরে গোলমালে রাশ টানা যায় কিনা।