এক জন সরব হলেন এলাকার কয়লা চুরির অভিযোগ নিয়ে। অন্য জন, আত্মরক্ষার প্রয়োজনে দলের কর্মীদের অস্ত্র ধরার পরামর্শ দিলেন! প্রথম জন, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও দ্বিতীয় জন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। রবিবার আসানসোলে আয়োজিত প্রতিবাদসভা থেকে এই দু’জন রাজ্যের শাসক দলকে লক্ষ করে এই কথাগুলি বলেন।

এ দিন মহামিছিলের আয়োজন করে বিজেপি-র পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটি। আসানসোলে রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টেয় মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি হয় স্টেশন চত্বর থেকে আসানসোল সিটি বাসস্ট্যান্ডে পর্যন্ত। সিটি বাসস্ট্যান্ডে একটি প্রতিবাদসভাও আয়োজিত হয়। সেখানে যোগ দিয়ে আসানসোলের সাংসদ বাবুল বলেন, ‘‘কারা কয়লা চুরির সঙ্গে জড়িত সবাই জানে।’’ সেই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘‘কেউ যদি কোনও দোষ না করে থাকেন, তবে সিবিআই-কে এত ভয় পাওয়ার কী আছে।’’ এলাকার রাজনৈতিক নেতৃত্বের ধারণা, এই মন্তব্য তৃণমূলের নেতা-নেত্রীর দিকে উদ্দেশ্য করেই বলেছেন বাবুল।

এর পরে লকেট বলেন, ‘‘আমাদের কর্মীদের খুন করা হচ্ছে। সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে। সন্ত্রাস রুখতে আগামী দিনে অস্ত্র তুলতে হবে। তবে অন্যকে মারার জন্য নয়। নিজের পরিবারকে বাঁচাতে।’’ প্রতিবাদসভার একেবারে শেষে এসে উপস্থিত হন বিজেপি নেতা রাহুল সিংহ। তবে তিনি মঞ্চে না চেপে নীচে দাঁড়িয়েই কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।

তবে এই মন্তব্যগুলি শুনে তৃণমূলের জেলা সভাপতি ভি শিবদাসন বলেন, ‘‘ওনারা কালেভদ্রে এলাকায় আসেন। এ সব অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই। সন্ত্রাস কারা চালাচ্ছে, তা বিজেপি নেত্রীর অস্ত্র ধরার পরামর্শেই  পরিষ্কার।’’