ছাত্রীর নাম ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল’। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতে স্নাতকোত্তরে ভর্তির মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়েছে রবিবার। তাতেই দেখা গিয়েছে এমন নাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, ছাত্র সংসদের দাবি, শুধু নামে নয়, আরও অনেক ভুল রয়েছে তালিকায়। সোমবার এ নিয়ে উপাচার্যকে চিঠিও দেন তাঁরা। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, পড়ুয়ারা যে নাম লিখেছেন, যে তথ্য দিয়েছেন সেই অনুযায়ী তালিকা তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা মনিকাঞ্চন মণ্ডলের অভিযোগ, ওই তালিকায় কারও নাম শুধু আদ্যক্ষর দিয়ে লেখা রয়েছে। আবার কম্পিউটার সায়েন্সের ক্ষেত্রে বেশি নম্বর পাওয়া পড়ুয়াদের নাম তালিকার নীচের দিকে রয়েছে বলেও তাঁর দাবি। তিনি বলেন, ‘‘ভুল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পিছু ছাড়ছে না। যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাঁদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’’ 

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, মোট আসনের ৬০ শতাংশে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরের পড়ুয়ারা নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পান। বাকি ৪০ শতাংশ আসনে যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অফ আর্টস্‌ রমেন সরের দাবি, ‘‘যেহেতু গোটা প্রক্রিয়াটি অনলাইনে হয়েছে তাই হাতেকলমে নথি-তথ্য খুঁটিয়ে দেখা সম্ভব হয়নি। সে কারণেই ভুল রয়ে গিয়েছে।’’ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করছে, অধিকাংশ পড়ুয়ারা বাইরে সাইবার ক্যাফে থেকে ফর্ম পূরণ করেন। সেখান থেকেই সমস্যা হয়।

মেধাতালিকায় ছাত্রছাত্রীদের ফোন নম্বরও দেওয়া রয়েছে। এর বিরুদ্ধেও সরব হয়েছ পড়ুয়াদের একাংশ। তাঁদের দাবি, এ ভাবে ফোন নম্বর দেওয়া থাকলে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। বিশেষত ছাত্রীদের ক্ষেত্রে বিপদের সম্ভাবনা থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবশ্য এ নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি।