যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে ‘হেনস্থা’র ঘটনায় সামনে এসেছিল কলকাতার সংস্কৃত কলেছের ছাত্র, বর্ধমানের বাসিন্দা দেবাঞ্জন বল্লভের নাম। গত ৩ অক্টোবর বর্ধমান থেকে কলকাতা ফেরার পথে আলিশা বাসস্ট্যান্ডে বাস ধরার সময় বিজেপি, এবিভিপি-র কর্মীদের হাতে বান্ধবী-সহ তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন দেবাঞ্জন। সোমবার ওই ঘটনায় ধৃত ন’জনকে সংবর্ধনা দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

বর্ধমানের টাউন হলে বিজেপি প্রভাবিত শিক্ষক সংগঠনের জেলা সম্মেলন চলাকালীন ধৃতদের ‘বীরপুরুষ’ বলে মঞ্চে ডেকে নেন জেলা সাংগঠনিক সভাপতি (বর্ধমান সদর) সন্দীপ নন্দী। তাঁদের এক এক করে ফুলের স্তবক ও গলায় গেরুয়া উত্তরীয় পড়িয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সন্দীপবাবু বলেন, “আমাদের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়কে যাদবপুরে কি ভাবে মারধর করা হয়েছিল, সেটা সবাই দেখেছে। কে মেরেছে সেটাও দেখেছে। পুজোর আগে আমাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হল। বিজেপি করার অপরাধে কয়েকদিন জেলও খাটল। জেল থেকে বেরিয়ে জোর গলায় বিজেপি করার কথাই বলছেন আমাদের বীরপুরুষরা।’’ এ দিন দেবাঞ্জন বলেন, “এটাই বিজেপি ও এবিভিপির চরিত্র। প্রতিবাদ করলে শিক্ষাঙ্গনে দাঁড়িয়ে সাংসদ অশালীন ভাষা বলেন। আর রাস্তায় অসহায়তার সুযোগ নিয়ে মারধর করা হয়।’’