নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও রাজনৈতিক দল ‘বিজয় মিছিল’ করতে পারবে না বলে জানিয়েছিলেন। তার পরেও রবিবার আউশগ্রামের নানা এলাকায় বিজয় মিছিল করার কথা জানা গিয়েছে বিজেপি সূত্রেই।

এ দিন সকালে বিজেপি অভিরামপুরে বিজয় মিছিল করে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। এড়াল পর্যন্ত মিছিলটি যায়। তৃণমূল নেতা রামকৃষ্ণ ঘোষের অভিযোগ, “বিজয় মিছিলের নামে বিজেপি লাঠি-সহ নানা অস্ত্র হাতে মিছিল করেছে।’’ যদিও বিজেপি নেতা স্মৃতিকান্ত মণ্ডলের দাবি, ‘‘আমাদের মিছিলে কারও হাতে অস্ত্র ছিল না। মানুষকে অভিনন্দন জানাতে আমরা বিজয় মিছিল করি।’’ এ দিন আউশগ্রামের কোটা, পোণ্ডালি ও রঘুনাথপুরেও বিজেপি বিজয় মিছিল করে বলে জানান স্মৃতিকান্তবাবু। আউশগ্রামের মিছিলে ছিলেন বিজেপি নেতা মেঘনাদ পাল, বিজয় হাজরা প্রমুখ।

তবে খণ্ডঘোষে বিজয় মিছিলের পরিবর্তে ‘বিজয় উৎসবের’ আয়োজন করে বিজেপি। এলাকার বেড়ুগ্রামের দিঘিরপাড় বাজারে মঞ্চ বেঁধে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা ‘উৎসবে’ মাতেন। অন্য দিকে, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিজেপি বিজয় মিছিল করতে গেলে রায়নার কামারহাটিতে তা আটকে দেয় পুলিশ। তবে সেখানেও হয়বিজয় উৎসব।

এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বিজেপির জেলা (সাংগঠনিক) সভাপতি সন্দীপ নন্দী বলেন, ‘‘বিজয় মিছিল বন্ধের নামে মুখ্যমন্ত্রী আইনের মাধ্যমে বিজেপির প্রতি সাধারণ মানুষের আবেগের প্রকাশকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে বিজয় উৎসব পালন করছেন। তবে আমরা সকলকে সংযত থাকতে বলেছি।’’