আইআইটি খড়্গপুরের বিশেষজ্ঞদের আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের দিয়ে ফাটল ধরা ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ডুবুরডিহি সেতু পরীক্ষা করানো হল। সঙ্গে ছিলেন ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটির দক্ষিণবঙ্গের প্রজেক্ট ডিরেক্টর অরিন্দমকুমার হান্ডিক। পরিদর্শন শেষে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ জানান, যত দ্রুত সম্ভব সেতু সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে। কিন্তু কবে নাগাদ সেতু দিয়ে ফের যানবাহন চলাচল শুরু হবে, তা জানাতে পারেননি সড়ক কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশেষজ্ঞ দলটি। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে সেতুর বিভিন্ন অংশ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞ দলটি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ দলটির নেতৃত্বে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কনস্ট্রাকশান ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক শুভজিৎ সরস্বতী।

সংস্থার নিজস্ব বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি আইআইটি খড়গপুরের বিশেষজ্ঞদের দিয়েও ডুবুরডিহি সেতুর ফাটলের অংশ পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিলেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। তার আগেই এ দিন যাদবপুরের বিশেষজ্ঞেরাও সেতুটি পরীক্ষা করেন। পরিদর্শন শেষে অরিন্দমবাবু বলেন, ‘‘আমরা যত দ্রুত সম্ভব সেতু সংস্কার করে যান চলাচলের উপযোগী করে তুলব।’’ কিন্তু কী ভাবে সেতু সংস্কার করা হবে বা কত দিনের মধ্যে সংস্কার শেষ করে ফের যান চলাচল শুরু করা যাবে, সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি অরিন্দমবাবু। তবে সড়ক কর্তৃপক্ষ জানান, সেতুর নিরাপত্তা বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরেই যান চলাচলে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

তবে সড়ক কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষজ্ঞেরা প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছেন, মূল সেতুর আপাতত কোনও ক্ষতি হয়নি। মূল সেতুর দু’পাশে ‘ক্যান্টিলিভার’-এর সাহায্যে চার ফুট মাপের ফুটপাত বানানোর জন্যই এই ফাটল হয়েছে। ওই অংশটুকু মেরামত করা হলেই সেতু দিয়ে ফের যান চলাচল শুরু করা যেতে পারে। তবে ফাটলের অংশের ২০ মিটার সামনে-পিছনে ফুটপাতের উপর দিয়ে যাতায়াত করা যাবে না। এই অংশে মূল সেতু ধরে যাতায়াত করতে হবে।

আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, বিহারের আওরঙ্গাবাদ থেকে যন্ত্রপাতি এনে মেরামতির কাজ শুরু করা হবে। কবে নাগাদ কাজ শুরু হবে, আধিকারিকেরা নিশ্চিত করে জানাতে না পারলেও ন্যূনতম ১৫ দিন সময় লাগবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।