এক গৃহবধূকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করার অভিযোগে এক মহিলাকে গ্রেফতার করল পূর্বস্থলী থানার পুলিশ। ধৃত মহিলার নাম বাণী দেবনাথ। অভিযোগ, মৃতা মিতালি গড়াইয়ের স্বামীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল বাণীর।

পুলিশ জানায়, ৫ জুলাই পূর্বস্থলীর বেলেরহল্ট এলাকায় অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় মিতালি গড়াইয়ের। নবদ্বীপের কুইচারাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওই মহিলার মা অনিতা সাধুঁখা জানান, ২০১৩ সালে ২৮ নভেম্বর বেলেরহল্ট এলাকার তপন গড়াইয়ের সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়েতে নগদ অর্থ, গয়না ও নানা আসবাব পণ দিয়েছিলেন তাঁরা। তারপরেও বাপেরবাড়ি থেকে আরও টাকা আনার জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকেরা চাপ দিত বলে অভিযোগ।  অনিতাদেবী লিখিত অভিযোগে দাবি করেছেন, বিয়ের বছর খানেক পরে মেয়ে জানতে পারে জামাইয়ের অন্য এক জনের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। লাগাতার শারীরিক ও মানসিক অত্যচার সহ্য করতে না পেরে মিতালি বাপেরবাড়ি ফিরে আসেন। ৬ মে আর নির্যাতন না করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামাই মেয়েকে নিয়ে যায় বলেও তাঁর দাবি। তার দু’মাস পরেই মৃত্যু হয় মিতালির। পরে জামাই-সহ মেয়ের শ্বশুরবাড়ির পাঁচ জন এবং জামাইয়ের ‘প্রেমিকা’ বাণির নামে ষড়যন্ত্র করে মেয়েকে বালিশ চাপা দিয়ে খুন করার অভিযোগ করেন অনিতাদেবী।