দুই মুখ্যমন্ত্রীর সভার প্রস্তুতি
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্র সিপিএমের দখলে থাকায় এখানে সভার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে সভা করতে এসে হেলিপ্যাডে সমস্যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী কপ্টার নামতে সমস্যা হয়েছিল। এ বার বিষয়টি নিয়ে বাড়িতি সতর্ক প্রশাসন।
helipad

পূর্বস্থলীতে হেলিপ্যাড তৈরি দেখতে তৃণমূল নেতারা। নিজস্ব চিত্র

এক দিনে এ রাজ্য ও ভিন্ রাজ্যের দুই মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী সভা। দু’দলেরই দাবি, সভায় উপচে পড়বে ভিড়। শুক্রবার তার আগে দুই মাঠেই প্রস্তুতি খুঁটিয়ে দেখল কালনা মহকুমা প্রশাসন।

সোমবার পূর্বস্থলীর জামালপুরে দুপুর ১টা নাগাদ সভা করার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার আগে সকাল ১১টা নাগাদ কালনা ১ ব্লকের ধাত্রীগ্রামের মাঠে সভা করার কথা উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের।

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্র সিপিএমের দখলে থাকায় এখানে সভার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে সভা করতে এসে হেলিপ্যাডে সমস্যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী কপ্টার নামতে সমস্যা হয়েছিল। এ বার বিষয়টি নিয়ে বাড়িতি সতর্ক প্রশাসন। পূর্বস্থলী ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা তপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এ বার ইট দিয়ে পাকা হেলিপ্যাড তৈরি করা হচ্ছে। সরিয়ে ফেলা হয়েছে বিদ্যুৎ এবং কেবলে্‌র তার। ছাঁটা হয়েছে বেশ কিছু গাছের ডাল।’’ তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর সভায় পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্র থেকেই প্রায় ২৫ হাজার মানুষ যোগ দেবেন। এ ছাড়া কাটোয়া এবং পূর্বস্থলী দক্ষিণ কেন্দ্র থেকেও আসবেন বহু মানুষ। ওই দিনই মুখ্যমন্ত্রীর আরও দুটি সভা করার কথা জেলায়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথও এ দিন মুখ্যমন্ত্রী ও কাটোয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাস্থল ঘুরে দেখেন। তিনি বলেন, ‘‘প্রত্যেক এলাকাতেই দলীয় নেতারা নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন। সবক’টি সভাতেই উপচে পড়বে ভিড়।’’ দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর সভার পরের দিনই কালনা ১ ব্লকে সভা করবেন দেব। স্বপনবাবু জানান, কালনা, মন্তেশ্বর-সহ চারটি বিধানসভা এলাকার মানুষের জন্যই দেবের সভা রাখা হয়েছে সুলতানপুরে। এ দিনই দেবের আরও একটি সভা রয়েছে দাঁইহাটে। তৃণমূল সূত্রের দাবি, যেখানেই বিজেপি মাথা চাড়া দিচ্ছে সেখানেই তারকা প্রার্থী বা বড় নেতাদের দিয়ে সভা করানো হবে।

 দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

যোগী আদিত্যনাথের সভা হওয়ার কথা ধাত্রীগ্রাম এলাকার ফুটবল মাঠে। বিজেপি সূত্রের খবর, প্রথমে মাঠেই হেলিপ্যাড করার কথা ছিল। কিন্তু জায়গা ছোট হয়ে যাচ্ছে দেখে অন্য মাঠে করা হচ্ছে। দলের জেলা সম্পাদক ধনঞ্জয় হালদার বলেন, ‘‘যাঁদের জমিতে হেলিপ্যাড করার কথা ভাবা হয়েছে তাঁরা লিখিত অনুমতিও দিয়ে দিয়েছেন।’’

তবে একই দিনে দুই সভায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে চিন্তিত প্রশাসনিক কর্তারা। মহকুমার এক পুলিশ কর্তার কথায়, ‘‘দু’জনেরই জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দিতে হবে। আমাদের একটা সভা হওয়ার পরেই ছুটতে হবে অন্যটাই।’’