• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বিমানবন্দরের কাজ নিয়ে শহরে পর্যালোচনা বৈঠক

1
বার্নপুরের কালাঝরিয়া বিমানবন্দর। নিজস্ব চিত্র

প্রশাসনের তরফে বৃহস্পতিবার বার্নপুরের কালাঝরিয়া বিমানবন্দরের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে পর্যালোচনা বৈঠক হয়েছে। মহকুমাশাসক (আসানসোল) দেবজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে হওয়া ওই বৈঠক বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্তারা ও ‘ইস্কো’র প্রতিনিধিরা যোগ দেন। প্রশাসন জানায়, বৈঠকে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৯ জানুয়ারি বিমানবন্দরের কাজের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক হয়েছিল। সে বার বেশ কয়েকটি সংস্কারমূলক কাজ দ্রুত শেষ করে ৪৫ দিনের মাথায় রিপোর্ট জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু ‘লকডাউন’ পরিস্থিতির জেরে সে কাজ এখনও শেষ করা যায়নি বলে প্রশাসন সূত্রে জানা যায়। এই পরিস্থিতিতে বৈঠক করে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান মহকুমাশাসক।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিমান ওঠা-নামায় নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানবন্দরের কাছে একাধিক বড় গাছ কাটতে হবে এবং একাধিক বিদ্যুতের খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার সরাতে হবে। গাছ কাটা ও প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দায়িত্বে রয়েছে ‘ইস্কো’। গাছগুলি যে জমিতে রয়েছে সেই জমির মালিকদের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। বন দফতরের কাছ থেকে গাছ কাটার অনুমতি মিলেছে।

এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ‘ইস্কো’র শহর দফতরের আধিকারিক ভাস্কর কুমার বলেন, “প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মতোই কাজ করা হবে।” বিদ্যুতের খুঁটি সরানোর জন্য বিকল্প জমি দেখা হয়েছে। খুঁটি সরানোর কাজ করবে বিদ্যুৎ দফতর। বেসরকারি মোবাইল সংস্থার সঙ্গে দশ দিনের মধ্যে যোগাযোগ করে টাওয়ার সরানোর বিষয়টি চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কারখানার পুরনো এই বিমানবন্দরটি থেকে বাণিজ্যিক উড়ান চালুর বিষয়ে ২০১৬-র মাঝামাঝি ‘এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া’র সঙ্গে চুক্তি সই করে ‘ইস্কো’। রাজ্য সরকারও এখান থেকে দ্রুত উড়ান চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়। গত ১৪ মার্চ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক বণিক সংগঠনের উদ্যোগে আসানসোলে আয়োজিত একটি আলোচনাসভায় যোগ দিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী তথা আসানসোল উত্তরের বিধায়ক মলয় ঘটক জানান, কালাঝরিয়া থেকে খুব দ্রুত উড়ান চালু হবে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের ‘রিজিওনাল কানেকটিভিটি উড়ান স্কিম’-এর আওতায় ১৯ আসন বিশিষ্ট বাণিজ্যিক বিমান যাতায়াত করার কথা এখান থেকে। বর্তমানে ১,২০০ মিটার রানওয়ে-সহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যাত্রী প্রতীক্ষালয় ও বিমান রাখার ‘হ্যাঙার’ তৈরি করা হয়েছে।   

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন