সন্ত্রাসের আশঙ্কায় দিনভর দেখা মেলেনি বিরোধীদের। কিন্তু দলেরই অন্য গোষ্ঠী মনোনয়ন তুলবে না তো, এমন আশঙ্কা থাকলেও শেষমেশ তেমন কিছু ঘটেনি কালনা কলেজে। ফলে কলেজের সব কটি আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ক্ষমতায় আসতে চলেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি)। তাদের দাবি, জেলার গ্রামীণ এলাকার ১৮টির মধ্যে ১৬টি কলেজেই একই পরিস্থিতি।

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কলেজে বৃহস্পতিবারই ছিল মনোনয়নপত্র তোলার দিন। তৃণমূল সূত্রের খবর, কালনা কলেজে টিএমসিপি-র দু’টি গোষ্ঠী ঠিক করে তারা মনোনয়ন তুলবে। শেষমেশ বুধবার রাতে বৈঠকে বসেন ছাত্র নেতারা। সেখানেই ঠিক হয়, কালনার বিভিন্ন ব্লক পিছু কয়েক জন করে টিএমসিপি নেতা মনোনয়ন তুলবেন। তার পরেও এ দিন সকালে কলেজের গেটে ভিড় করতে দেখা যায় শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীদের। শেষমেশ অবশ্য কলেজের ৩০টি আসনেই মনোনয়ন তোলা হয়েছে বলে খবর। টিএমসিপি-র রাজ্য সহ সভাপতি রেজাউল ইসলাম মোল্লা যদিও বলেন, ‘‘কোনও কোন্দল নেই। আমরা এক যোগে কাজ করছি।’’

মন্তেশ্বরের গৌড়মোহন কলেজ, পূর্বস্থলী কলেজ, গলসি কলেজ-সহ ১৬টি কলেজে শুধুমাত্র তাদের সংগঠনই মনোনয়ন তুলেছে বলে জানান টিএমসিপি নেতা বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায়।

এ দিন কাটোয়া কলেজে শাসক দল মনোনয়নপত্র তুলতে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ডিএসও নেতা ভুবনেশ্বর মণ্ডল। অন্যান্য কলেজগুলির ক্ষেত্রেও একই অভিযোগ করেছে বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই। সিপিএম নেতা সুব্রত ভাওয়ালের দাবি, ‘‘এসএইআই নেতা-কর্মীদের বাধা দেওয়া, মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা থাকায় তাঁরা কলেজে মনোনয়ন তোলেননি।’’ যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাপ্পাদিত্যবাবু।