গ্রামে পাকা রাস্তার দাবিতে খনির উৎপাদন বন্ধ রেখে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসী। সোমবার ফরিদপুর (লাউদোহা) থানা এলাকার ইসিএলের ঝাঁঝরা এমএআইসি-র ঘটনা। বিক্ষোভের জেরে বন্ধ হয়ে যায় কয়লা পরিবহণও। প্রায় তিন ঘণ্টা পরে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

ইসিএল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খনি থেকে কিছুটা দূরে রয়েছে কুলবনি গ্রাম। গ্রামবাসীর একাংশের অভিযোগ, ইসিএল খনির কাজকর্মে রাস্তা ব্যবহার করে। এর ফলে গ্রামে যাতায়াতের রাস্তাটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে গিয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার হয়নি। বার বার খনি কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। অভিযোগ, রাস্তাটি পাকা করার লিখিত দাবি জানিয়েও লাভ হয়নি। এ দিন সকালে গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ খনির সামনে জড়ো হন। তাঁরা কর্তৃপক্ষকে জানান, রাস্তা পাকা করার আশ্বাস না মিললে তাঁরা বিক্ষোভ দেখাবেন। তাঁদের দাবি, কোনও সাড়া না মেলায় তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দেন।

ইসিএল সূত্রে জানা গিয়েছে, এর ফলে খনিতে কয়লা উত্তোলন ও কয়লা পরিবহণ বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকারীদের তরফে মহম্মদ ইসাক, সারথী রুইদাসেরা বলেন, ‘‘আগেও বহুবার খনি কর্তৃপক্ষের কাছে রাস্তা পাকা করার দাবি জানানো হয়েছে। কিন্তু কিছু হয়নি। এ বার নিশ্চিত আশ্বাস না মেলা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলবে।’’

বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ফরিদপুর থানার পুলিশ। সিআইএসএফ আগে থেকেই ছিল। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথাবার্তা বলে। কিন্তু পরিস্থিতি বদলায়নি। বিক্ষোভকারীরা অনড় থাকায় প্রায় দু’ঘণ্টা পরে ইসিএলের আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে আসেন। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। শেষমেশ তাঁরা রাস্তা পাকা করার আশ্বাস দিলে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ তুলে নেন। ঘণ্টা তিনেক বাদে খনিতে উৎপাদন ও পরিবহণের কাজ শুরু হয়।

ইসিএল সূত্রে জানা যায় যায়, এ দিনের বিক্ষোভের জেরে কয়েক হাজার টন কয়লা কম

উত্তোলন হয়েছে।