কেন্দ্রীয় সরকারের নাগরিকপঞ্জির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পথে নামল  তৃণমূল। আর প্রতিবাদকে সামনে রেখে হুগলিতে এ বার সংগঠনকে গুছিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করলেন সদ্য নির্বাচিত দলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব। রবিবার জেলার ১৮টি ব্লক এবং ১৩টি শহর তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি নিজ নিজ এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ দিন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে শ্রীরামপুর থেকে বৈদ্যবাটি পদযাত্রায় সামিল হন।

হুগলিতে তৃণমূলের ১৮টি ব্লক কমিটি রয়েছে। সেগুলো মূলত গ্রাম কেন্দ্রীয়। এছাড়াও জেলার ১২টি পুরসভা এবং চন্দননগর এলাকায় ভিন্ন সাংগঠনিক কমিটি রয়েছে। রবিবার পোলবার আলিনগর, সিঙ্গুর, উত্তরপাড়া, জেলা সদর, চুঁচুড়া, আরামবাগ এবং চন্দননগর মহকুমার বিভিন্ন ব্লকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে মিছিল করা হয়। দলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব বলেন, ‘‘বিজেপি এই রাজ্যেও নাগরিকপঞ্জি চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে। তার বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ।’’

পাশাপাশি হুগলি জেলা নেতৃত্বের নয়া সিদ্ধান্ত, হুগলির যেখানে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক দিলীপ ঘোষ সভা বা বৈঠক করবেন, তার প্রতিবাদে সেই এলাকায় তৃণমূল পাল্টা কর্মসূচি করবে। গত মাসের ৮ তারিখে বিজেপি রাজ্য সম্পাদক পুড়শুড়ায় দলের একটি পদযাত্রায় সামিল হয়েছিলেন। আজ, সোমবার তৃণমূল নেতৃত্ব ঠিক সেই জায়গা থেকেই একটি পদযাত্রার পাল্টা কর্মসূচি নিয়েছে। গোঘাটের বিধায়ক মানস মজুমদার বলেন, ‘‘ধরে নিন এটা আমাদের দিলীপ বনাম দিলীপ কর্মসূচি। আমাদের মিছিলে নিশ্চিত বেশি লোক হবে।’’ রবিবার প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে উলুবেড়িয়াতেও। নেতৃত্বে ছিলেন  হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল সভাপতি পুলক রায়।