• নিজস্ব সংবাদদাতা  
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দুর্ঘটনায় মৃত্যু মাদ্রাসায় প্রথম হওয়া ছাত্রের

Acci
মৃত: শেখ হাবিবুল্লা। নিজস্ব চিত্র

মাদ্রাসায় ফাজিল পরীক্ষায় (উচ্চ মাধ্যমিক সমতুল্য) ২০১৯ সালে তিনি রাজ্যে প্রথম স্থান পেয়েছিলেন। রবিবার রাতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল সেই কৃতী ছাত্র  শেখ হাবিবুল্লা (১৯)-র। পুলিশ জানায়, রাত দশটা নাগাদ হুগলির ফুরফুরায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। চণ্ডীতলা কৃষ্ণরামপুরের কুমিরমোড়ার এই বাসিন্দা হাবিবুল্লা ভাই শেখ মনতাকিমের বাইকের চেপে নতুন জামা আনতে গিয়েছিলেন। বাইক চালানোর সময় ব্রেকে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। ব্রেকটা আটকে যাওয়াতেই রাস্তায় পড়ে যান হাবিবুল্লা। তাঁর বুকে, মাথায় চোট লাগে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে চণ্ডীতলা গ্রামীণ হাসপাতেল নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি। সোমবার রাতে গ্রামে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় ওই ছাত্রের।

বছর দুই আগে বাবা মারা যান হাবিবুল্লার। কাকার পরিবারেই মানুষ তিনি। মাদ্রাসা শিক্ষা সংগঠনের জেলা সম্পাদক সৈহদ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘‘আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি সাহিত্য নিয়ে প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করছিল হাবিবুল্লা।’’

এই ঘটনাটি ছাড়াও হুগলিতে আরও চারটি পৃথক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই যুবকের। জখম হলেন তিনজন।

সোমবার সন্ধ্যায় দুর্ঘটনা ঘটে শেওড়াফুলি চাতরা ময়দানে। শেখ রাজেশ (৩০) নামে এক বাইক চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে স্তম্ভে ধাক্কা মারেন৷ গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মারা যান শ্রীরামপুর রাজ্যধরপুর তালপুকুর এলাকার ওই বাসিন্দা।

অন্য দুর্ঘটনাটি হয় বৈদ্যবাটী পুরাতন পোস্ট অফিসের কাছে। সোমবার রাত ১০টায় জিটি রোডে দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয় মুন্না লাহিড়ি (২৩) নামে এক যুবকের। তিনি চাঁপদানি বিএম লেনের বাসিন্দা৷ সোমবার তৃতীয় দুর্ঘটনাটি হয় বৈদ্যবাটী চৌমাথার কাছে আবাসনের সামনে৷ জিটি রোডের উপর দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে জখম হন দু’জন। পুলিশ দু’জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে একজনকে কলকাতা একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যাতেই বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় জখম হলেন চন্দননগরের সাবিনাড়া এলাকার এক বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি দোকান থেকে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময়  একটি বাইক তাঁকে ধাক্কা মেরে রাস্তায় উল্টে যায়। আহত পথচারীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয়রা বাইক চালককে আটকে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে  চালককে গ্রেফতার করে। মোটরবাইকটিও আটক করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এই চারটি দুর্ঘটনাই ঘটেছে দ্রুত গতিতে বাইক চালানোর ফলে। কোনও বাইকচালকই হেলমেট পরে ছিলেন না।  প্রত্যেকেই মদ্যপ ছিলেন। 

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন