দুর্গা, কালী পুজোর মতোই থিমের ছড়াছড়ি জগদ্ধাত্রী পুজোতেও। অ, আ, ক, খ, নির্মল বাংলা, সেফ ড্রাইভ সেফ লাইফ মতোর থিম যেমন রয়েছে, পাশাপাশি সাবেকি মণ্ডপও। সাবেক এবং থিম দিয়ে দর্শনার্থীদের নজর কাড়তে তৈরি হচ্ছে বৈঁচিও।

এ বার চন্দননগরের আলো, কৃষ্ণনগরের প্রতিমা আর বর্ধমানের শিল্পীদের দিয়ে তৈরি মণ্ডপে সেজে উঠছে বৈঁচি। বৈঁচি জগদ্ধাত্রী পুজো কেন্দ্রীয় কমিটির অধীনে ২৬টি পুজো হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নিউ স্টার, ডিভিসি শ্রীপল্লি, গ্রিনস্টার, রায়পাড়া যুব সঙ্ঘ, নেতাজি সঙ্ঘ, ডিভিসি শিবতলা পুজো কমিটি, ইয়ংস্টার, সবুজ সঙ্ঘ।

গ্রিন স্টার এ বছর ৬২ ফুট উচ্চতা এবং ৬০ ফুট চওড়া শিবের মন্দির তৈরি করছে। নবমীর দিন প্রায় তিন হাজার মানুষের নরনারায়ণ সেবার আয়োজন করা হবে বলে জানান ক্লাবের সম্পাদক প্রদীপ সাউ। ডিভিসি শিবতলা পুজো কমিটি এ বারে এলাকার মানুষকে বিনামূল্যে আম, জাম, কাঁঠাল, নিম-সহ বিভিন্ন গাছের এক হাজার চারা দেবে।

বৈঁচি জগদ্ধাত্রী পুজো কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক সঞ্জয় রায় বলেন, ‘‘আমরা জগদ্ধাত্রী পুজোর একাদশীর দিন সকালে বিজয়া করি। ষষ্ঠীর দিন থেকেই দর্শনার্থীরা ভিড় করতে থাকেন। তাই ওই দিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত জিটি রোড নো-এন্ট্রি করা হয়। বৈঁচিতে জগদ্ধাত্রী পুজো দেখার জন্য রেল কর্তৃপক্ষের কাছে অতিরিক্ত ট্রেন দেওয়ার দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়াও কালনা-বৈঁচি লোকাল বাস পুজোর ক’দিন ডিভিসির পাড় থেকে ছাড়া হবে।’’ তিনি জানান, যাত্রীদের সুবিধার জন্য বিশেষ আলোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন পুজো কমিটিকে সরকারি নির্দেশ মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।