চার দিন নিখোঁজ থাকার পরে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে মাটি খুঁড়ে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। সম্পত্তির লোভে নিজের ভাই তাঁকে খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির কৈকালা হাটতলায়। নিহতের নাম গোলক শাসমল (৪৫)। অভিযুক্ত রামকৃষ্ণ শাসমলকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার থেকে গোলক নিখোঁজ হয়ে যান। পরের দিন রামকৃষ্ণ হরিপাল থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত ডায়েরি করেন। শনিবার এক প্রতিবেশি থানায় গিয়ে রামকৃষ্ণের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, বুধবার রাতে গোলককে মারধর করে রামকৃষ্ণ। এর পরেই পুলিশ রামকৃষ্ণকে আটক করে। জেরায় রামকৃষ্ণ স্বীকার করে, সে দাদাকে মেরে দেহ বাড়ির অদূরে একটি পাঁচিলের পাশে পুঁতে রেখেছে। সোমবার দুপুরে তাকে নিয়ে গিয়ে গোলকের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। তদন্তকারী এক অফিসার বলেন, ‘‘যাতে কারও সন্দেহ না হয়, সেই কারণে রামকৃষ্ণ নিখোঁজ ডায়েরি করেছিল। জেরাতেও প্রথম দিকে সে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল। ’’

অন্য দিকে, সিঙ্গুরের মিল্কি এলাকায় পারিবারিক বিবাদের জেরে দাদাকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে ভাইয়ের বিরুদ্ধে। সোমবার ঘর থেকে শেখ সাজাহান (৫৪) নামে এক প্রৌঢ়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ভাই শেখ মহিউদ্দিনের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিবাদ ছিল সাজাহানের। এ দিন দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সেই নিয়ে দু’জনের বচসা বাধে। অভিযোগ, সেই সময় মহিউদ্দিন বাঁশের বাড়ি মারে সাজাহানের মাথায়। তাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।