• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ব্যান্ডেল

ব্যাঙ্ক ডাকাতেরা অধরা, ছবি আঁকাচ্ছে পুলিশ

ব্যান্ডেলে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে ডাকাতির তদন্তে নেমে অন্ধকারে হাতড়াচ্ছে পুলিশ। ঘটনার পরে ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও দুষ্কৃতীদের কেউ ধরা পড়েনি। ব্যাঙ্কে সিসিটিভি না থাকায় দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করতে স্কেচ আঁকানো হচ্ছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) কোটেশ্বর রাও বলেন, ‘‘দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ব্যাঙ্কের ভিতরে-বাইরে নিরাপত্তা বা়ড়াতে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী। এ ব্যাপারে কয়েক দিনের মধ্যেই ব্যঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।’’

মঙ্গলবার সকালে জনাদশেক দুষ্কৃতী ব্যান্ডেলে জিটি রোডের ধারে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের শাখায় হানা দেয়। প্রহরীর মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ধরে তাঁ হাত থেকে বন্দুক কেড়ে নেওয়া হয়। তার পরে ম্যানেজারের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে চাবি চেয়ে নিয়ে ভল্ট খুলে প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। বিনা বাধায় ‘অপারেশন’ সেরে ধীরেসুস্থে গা-ঢাকা দেয় ওই দুষ্কৃতীরা। তদন্তে নেমে অবশ্য ঘটনার কিনারা করতে সমস্যায় পড়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবরর, এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও সূত্র মেলেনি। ব্যাঙ্কে সিসিটিভি নেই। তা যদি থাকত, সে ক্ষেত্রে ক্যামেরায় ছবি দেখে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা যেত। ঢিলেঢালা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে পুলিশ ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে দুষছে। তাদের দাবি, কয়েক বছর আগে ওই ব্যাঙ্কের কর্তৃপক্ষকে নিরাপত্তার খাতিরে সিসিটিভি লাগাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা তা করেননি। এ ব্যাপারে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার অনুজ কুমারের বক্তব্য, তিনি সবেমাত্র মাসখানেক এখানে এসেছেন। পুলিশের সঙ্গে কথা বলে নিরাপত্তা জোরদার করার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। বুধবারেও তদন্তকারীরা ঘটনাস্থলে যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলার পরে পুলিশ জানায়, দুষ্কৃতীদের প্রায় সকলেরই বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। তারা হিন্দিতে কথা বলছিল। ব্যাঙ্কের কর্মী এবং গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে দুষ্কৃতীদের স্কেচ আঁকানো হচ্ছে।

পুলিশের একাংশের বক্তব্য, ব্যাঙ্কের ভিতরের হাল-হকিকত সম্পর্কে দুষ্কৃতীরা রীতিমতো খোঁজখবর নিয়েই এসেছিল। সিসিটিভি-র জন্য জেলায় ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনা অনেকটাই কমেছে। এই ব্যঙ্কে যে সিসিটিভি নেই, দুষ্কৃতীরা তা জানত। সেই কারণে, তাড়াহুড়ো না করে, ব্যাঙ্ককর্মী এবং গ্রাহকদের সঙ্গে ঠাণ্ডা গলায় কথা বলে ‘অপারেশন’ সেরে চম্পট দেয় তারা। ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় কোনও দুষ্কৃতী যুক্ত বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন