হুগলির শ্রীরামপুর পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে প্রশাসনিক দফতরে অভিযোগও জমা পড়েছে। অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর পিনাকীপ্রসাদ ভট্টাচার্য পুকুর ভরাট নিয়ে নিষ্ক্রিয়। এ নিয়ে ফ্লেক্সও লাগানো হয় এলাকায়। জায়গা নিয়ে অভিযোগ, শনিবার সেখান থেকে শুরু হয়েছে মাটি তোলার কাজ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গিয়েছিল, কিছুটা অংশে জলাশয়। পাশেই মাটি ফেলে সমান করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশের পরই নড়ে বসে প্রশাসন।

শনিবার সেখানে গিয়ে দেখা যায়, মাটি তোলার কাজ চলছে। পুকুর ভরাটের অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদার বরুণ পাঁজার দাবি, জায়গা না থাকায় মাটি পুকুরের পাড়ে রাখা হয়েছিল। ওই অংশের সঙ্গে পুকুরের যোগ নেই। একই দাবি করেন কাউন্সিলরও। শনিবার ঠিকাদার বরুণবাবু বলেন, ‘‘শুক্রবার থেকেই মাটি তুলে ভিতে ফেলা হচ্ছে। এটাই পরিকল্পনাই ছিল।’’

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অবশ্য প্রশ্ন, মাটি তুলে ফেলার পরিকল্পনা থাকলে পরিপাটি করে তা সমান‌ করে দেওয়া হয়েছিল কেন? স্থানীয় এক প্রৌঢ়ের বক্তব্য, ‘‘বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে নড়াচড়া হতেই তড়িঘড়ি মাটি তোলার কাজ শুরু হয়। আমরা চাই প্রশাসন মাপজোক করে দেখুক, পুকুর কতটা। তার একটুও যেন ভরাট না হয়।’’ এ দিন বিজেপির শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শ্যামল বসুও ওই পুকুর ভরাট নিয়ে দলের সভায় অভিযোগ তোলেন।