• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

হুগলিতে কোন্দল ঢাকতে মরিয়া তৃণমূল নেতারা

TMC
—প্রতীকী চিত্র।

পঞ্চায়েত ভোটের আগে ঘর সামলাতে হুগলিতে সংগঠন ঢেলে সাজাতে শুরু করল হুগলি জেলা তৃণমূল।

শনিবার চুঁচুড়ায় জেলা পরিষদ ভবনে হুগলি জেলা দলের কোর কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামাল দিতে কড়া বার্তা দেন দলের  নেতারা। তৃণমূল শিবিরের খবর, বৈঠকে হরিপালের বিধায়ক বেচারাম মান্না অভিযোগ তোলেন, কিছু ক্ষেত্রে তাঁর সঙ্গে আলোচনা না করেই হরিপালে বিভিন্ন অঞ্চল সভাপতি নিয়োগ করা হয়েছে। বেচারামবাবু ওই কথা বলতেই সিঙ্গুর থেকে নির্বাচিত জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মানিক দাস প্রতিবাদ করে ওঠেন। তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন, সিঙ্গুর ব্লকে স্থানীয় বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে না জানিয়ে বেচারামবাবুও একই কাজ করছেন। দু’পক্ষের মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়। দলের নেতারা তাঁদের থামান।

হুগলি জেলা তৃণমূলের অন্যতম কার্যকরী সভাপতি অসীমা পাত্র জানান, পুড়শুড়ায় বালিখাদানের ব্যবসার সঙ্গে দলের কিছু নেতার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, দলের নেতা-কর্মীদের কোনও অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বরদাস্ত করা হবে না। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামাল দেওয়ার লক্ষ্যে তারকেশ্বর, খানাকুল, গোঘাটের মতো এলাকার তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন শীর্ষনেতৃত্ব। সেখানে হুগলি জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত, অসীমা পাত্র, প্রবীর ঘোষা‌ল, সাংসদ অপরূপা পোদ্দার প্রমুখ  ছিলেন। খানাকুলের একাধিক নেতা অভিযোগ করেন, দল ক্ষমতায় আসার পরে সিপিএম ছেড়ে আসা লোকজন এলাকায় কর্তৃত্ব চালাচ্ছেন। তাঁদের জন্যই এলাকায় অশান্তি বাড়ছে। অভিযোগকারী নেতাদের বিষয়টি লিখিত ভাবে অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়।

গোঘাটের ক্ষেত্রেও সিপিএম থেকে আসা লোকজনের জন্যই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বাড়ছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ক্ষেত্রেও যথাযথ ব্যবস্থার আশ্বাস িদয়েছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন