টিউশন থেকে বাড়ি ফেরার সময়ে কাঠের সাঁকো থেকে পড়ে খালেতে তলিয়ে গেল এক পড়ুয়া। রবিবার সকালে চন্দ্রকোনার ভগবন্তপুর ঘেঁষা চাষিবেড় এলাকার ঘটনা। এ দিন রাত পর্যন্ত অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রের খোঁজ মেলেনি। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা তল্লাশি চালাচ্ছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, জাহাঙ্গির শা নামে অষ্টম শ্রেণির ওই পড়ুয়ার বাড়ি চাষিবেড় গ্রামে। এ দিন সে স্থানীয় চৈতন্যপুর গ্রামে টিউশন পড়তে গিয়েছিল। সেখান থেকে কিছুটা দূরে  শিলাবতী নদীর শাখা কেঠে খাল রয়েছে। তার ওপরে থাকা সাঁকো দিয়ে সাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিল জাহাঙ্গির। তখনই  সাইকেল-সহ খালে পড়ে যায় সে। তারপর থেকে আর খোঁজ মেলেনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই ছাত্র যখন সাঁকো পার হচ্ছিল তখন উল্টো দিক থেকে একটি বাইক আসছিল। ওই বাইক আরোহী তাকে দেখে দাঁড়িয়ে যান। জাহাঙ্গির সাইকেলেই আসছিল। সেই সময়েই কোনও ভাবে সাঁকো থেকে পড়ে যায় জাহাঙ্গির। প্রথমে  এলাকার বাসিন্দারা খালে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও চন্দ্রকোনা ২ ব্লক প্রশাসনের লোকজনও পৌঁছয়।  

কেঠে খালটি ক্ষীরপাই, রাধানগর হয়ে শিলাবতী নদীতে গিয়ে মিশছে। টানা বৃষ্টির জেরে সেখানে এখন জলের স্রোত রয়েছে। বছর চারেক আগে ওই খালের ওপরে কাঠের সাঁকোটি তৈরি হয়েছিল। আশপাশের ২০-২৫টি গ্রামের মানুষ ওই সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করেন। অভিযোগ, সাঁকোটি উদ্বোধনের কিছুদিন পর  পাটাতনগুলি রবিবারের দুর্ঘটনার পরে ওই সাঁকো পাকা করার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। চন্দ্রকোনা ২ এর বিডিও শাশ্বত প্রকাশ লাহিড়ী বলেন, “ওই ছাত্র সাঁকো থেকে কী ভাবে পড়ে গেল সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”