• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

সুদীপের লড়াইয়ে পাশে প্রবাসী দীপক

Physically Challenged
দাদুর পিঠে চেপে কলেজে সুদীপ। নিজস্ব চিত্র

শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। দাদুর কাঁধে চড়ে কলেজের দোতলা বা তিনতলার ক্লাসরুমে যান তিনি। তাঁর লড়াইয়ের কথা সামনে আসার পরেও ওই কলেজ পড়ুয়ার পাশে দাঁড়াচ্ছেন অনেকে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন প্রবাসী বাঙালি দীপক পড়্যা।

পাঁশকুড়ার মাইশোরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার শ্যামসুন্দরপুর পাটনা গ্রামের বাসিন্দা সুদীপ শাসমল শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী। সুদীপ এবং অন্য প্রতিবন্ধীদের কথা ভেবে সিদ্ধিনাথ মহাবিদ্যালয়ে হুইল চেয়ার নিয়ে বিভিন্ন তলায় পৌঁছে যাওয়ার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষকে বিশেষ র‌্যাম্প তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন দীপক। আদতে পাঁশকুড়ার মাইশোরার পূর্ব বাকুলদা গ্রামের বাসিন্দা দীপক কর্মসূত্রের ২০১৬ সাল থেকে আমেরিকায় থাকেন। দীপকের ছাত্র জীবন কেটেছে পাঁশকুড়ার মাইশোরা এলাকাতেই।

দীপক জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডি়য়ার মাধ্যমে সুদীপের বিষয়টি তিনি জানতে পারেন। তার পরেই তিনি সিদ্ধিনাথ মহাবিদ্যালয়ের কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজের ইচ্ছার কথা জানান। দীপকের প্রস্তাবে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত কলেজ কর্তৃপক্ষ। সিদ্ধিনাথ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ঊমা ঘোষ বলেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত এই কলেজের ভবন নির্মাণের কাজ শেষ করা যায়নি। বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ সংগ্রহ করে কলেজের শ্রীবৃদ্ধি বিষয়ে প্রচেষ্টা চলছে। দীপকের ওই প্রস্তাবে আমরা খুশি। খুব শীঘ্রই বৈঠক করে ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে ওই বিশেষ র‌্যাম্প নির্মাণের বাজেট তৈরি করা হবে। এবং তা দীপকবাবুকে পাঠানো হবে।’’

কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রাক্তন জাতীয় শিক্ষক নির্মল চন্দ্র মাইতি বলেন, ‘‘স্থানীয় স্কুলের অনেক প্রাক্তন ছাত্র বিদেশে থাকেন। তাঁরা বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করায় একটু একটু করে কলেজের কলেবর বাড়াতে পারছি। এলাকার যুবক দীপক প্রতিবন্ধীদের জন্য যে র‌্যাম্প তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে আমরা খুব খুশি। র‌্যাম্পটি বানাতে দ্রুত পদক্ষেপ করব। আর দীপকের কথায়, ‘‘আমি তো ওই এলাকারই মানুষ। এলাকার প্রতিষ্ঠানের জন্য কিছু করতে পারলে ভাল লাগবে।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন