• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

মানিকের ইস্তফা গৃহীত কংগ্রেসে

congress
প্রতীকী ছবি।

ইস্তফা গৃহীত হল জেলা কংগ্রেস সভাপতি মানিক ভৌমিকের। এবার পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্বে কে, সেই সিদ্ধান্ত অবশ্য দিল্লি থেকেই নেওয়া হবে।  

কংগ্রেসে যোগ দেওয়া তমলুকের প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ লক্ষ্মণ শেঠ ও দলের রাজ্য নেতৃত্বর একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে সম্প্রতি সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন মানিক। গত বৃহস্পতিবার তিনি জেলা কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে  প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রকে ই-মেল করেছিলেন। আর  এর পরেই ই-মেলে পাঠানো মানিকের ওই চিঠিটিকে পদত্যাগপত্র হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে বলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র মানিককে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন।

ওই চিঠিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি জানিয়েছেন, দলীয় সংবিধানকে মর্যাদা দিয়ে গণতান্ত্রিক আবহ বজায় রেখেই জাতীয় কংগ্রেস  লক্ষ্মণ শেঠকে দলে অন্তর্ভুক্তির ছাড়পত্র দেয় এবং সে সময়ে প্রদেশ, জেলা ও ব্লক স্তর পর্যন্ত মতামত নেওয়া হয়েছিল। চিঠিতে সোমেন মানিককে জানিয়েছেন, ‘এ বিষয়ে বার বার বোঝানোর  চেষ্টা করা সত্ত্বেও আপনার অনমনীয়তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে শব্দ প্রয়োগে ও অভিব্যক্তিতে। যা দলীয় গণতন্ত্রের পরিপন্থী’।

প্রদেশ সভাপতির দেওয়া ওই চিঠির কথা স্বীকার করে শনিবার মানিক বলেন, ‘‘জেলা কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আমি গত বৃহস্পতিবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিকে ই-মেলে চিঠি দিয়েছিলাম। উনি আমার চিঠিকে পদত্যাগ পত্র হিসেবে গ্রহণ করার কথা জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। তবে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির ওই চিঠিতে আমার তোলা অভিযোগগুলির কোন সদুত্তর নেই। উল্টে আমাকে অভিযুক্ত করে লক্ষ্মণ শেঠকে দলে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা হয়েছে।’’ মানিক বলেন, ‘‘আমি কংগ্রেসেই রয়েছি। তবে প্রদেশ কংগ্রেসের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রইলাম। দলের কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’’

প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রের খবর, মানিক যেহেতু দলের অভ্যন্তরীণ বিবাদ বারবার প্রকাশ্যে আনছিলেন, বোঝালেও বোঝেননি, তাই তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করা হয়েছে। যদিও জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিধায়ক অসিত মিত্র বলেন, ‘‘আমার সঙ্গে মানিকের এখনও কথা হয়নি।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন