মাস তিনেক আগে ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয় টাকা। শেষ পর্যন্ত টাকা ফেরত পেলেন মহিষাদলের কেশবপুর গ্রামের নারায়ণচন্দ্র মাইতি।
 
বছর আটষট্টির নারায়ণের চৈতন্যপুরে একটি রাষ্টায়ত্ত ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তিনি জানান, গত ২ মে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৭ হাজার টাকা উধাও হয়ে যায়। পাসবই আপডেট করে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। জানা যায়, এটিমের মাধ্যমে কেউ ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া থেকে ওই টাকা তুলেছে। নারায়ণের অবশ্য দাবি,  ব্যাঙ্ক থেকে এটিএম কার্ড পাওয়ার পরেই তিনি তা বাড়িতে রেখে দিয়েছিলেন। টাকা উধাওয়ের বিষয়ে ব্যাঙ্কের শাখা ম্যানেজারের কাছে লিখিত অভিযোগও জমা দেন।
 
নারায়ণ জানান, ম্যানেজার তাঁকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। কিন্তু একমাস কেটে গেলেও কোনও সুরাহা না হওয়ায় নারায়ণ মহিষাদল থানায় অভিযোগ জানাতে যান। মহিষাদল থানা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ গ্রহণের পাশাপাশি নারায়ণকে জেলা সাইবার সেলেও গিয়ে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন। সেই মতো নারায়ণ জেলা সাইবার সেলেও অভিযোগ করেছিলেন। ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। নারায়ণের দাবি, এর পরেই নড়েচড়ে বসেন ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। অবশেষে গত ২ অগস্ট উধাও হওয়া টাকা ফিরে পান নারায়ণ। তিনি বলেন, ‘‘প্রথমে তদন্ত ধীরগতিতে চলছিল। তবে খবর বেরোনোর পর  দ্রুত নড়েচড়ে বসেন ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ তৎপর হওয়ায় টাকা ফিরে পাই।’’
ব্যাঙ্কের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘ব্যাঙ্কের নিজস্ব সার্ভার রয়েছে। সেখানে সমস্ত গ্রাহকদের লেনদেনের তথ্য রাখা থাকে। লেনদেন সংক্রান্ত কোনও গরমিল থাকলে গ্রাহককে একদিনের মধ্যে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে হয়। এ ক্ষেত্রে ওই বৃদ্ধ দ্রুত লিখিত অভিযোগ জানানোয় ওই সার্ভারের সহায়তায় টাকা ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে।’