বেতন সংক্রান্ত চুক্তির জন্য সময় চাইল হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস (এইচপিএল)। শুক্রবার দুপুরে এইচপিএলের বেতন সংক্রান্ত চুক্তি (সিওডি) নিয়ে দুটি বৈঠক ডেকেছিলেন হলদিয়ার উপশ্রম কমিশনার মিহির সরকার।

এ দিন সকালে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেড ন্যাশনালিস্ট ঠিকাশ্রমিক ইউনিয়ন ও মালিকপক্ষকে নিয়ে উপশ্রম কমিশনার প্রথম বৈঠক করেন। শ্রম দফতর সূত্রে খবর সেখানে মালিকপক্ষ বেতন সংক্রান্ত চুক্তির বিষয়ে আরও মাস তিনেক সময় চেয়েছেন। দ্বিতীয় দফায় হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেড ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়ন ও মালিকপক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেন উপশ্রম কমিশনার। সেখানে ঠিক হয়েছে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ওই শ্রমিক ইউনিয়ানের সঙ্গে মালিকপক্ষ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবে। তার পরে মালিকপক্ষ ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত উপশ্রম কমিশনারকে জানাবে।

হলদিয়ার উপশ্রম কমিশনার মিহির সরকার জানান, পুনরায় মে মাসের প্রথম সপ্তাহে একটি শ্রমিক ইউনিয়ন ও মালিকপক্ষকে নিয়ে আলোচনা করা হবে। তাছাড়াও মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে অন্য একটি ইউনিয়ন ও মালিক পক্ষের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। আইএনটিটিইউসি অনুমোদিত হলদিয়া পেট্রোকেমিকেলস লিমিটেড ন্যাশনালিস্ট ঠিকাশ্রমিক ইউনিয়ানের কারযোকরি সভাপতি মিলন মণ্ডল জানান, ‘‘মালিকপক্ষ ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় চেয়েছেন। আশা করি দু’তিন মাসের মধ্যে বেতন সংক্রান্ত চুক্তি হয়ে যাবে।’’ হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি তথা আইএনটিটিইউসি নেতা আজিজুল রহমানও জানান, ‘‘মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে আমাদের সঙ্গে মালিকপক্ষের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে।

অন্য দিকে হলদিয়ার শ্রী রেনুকা সুগারস-এ অচলাবস্থা কাটাতে শুক্রবার দুপুরে হলদিয়ার উপশ্রম কমিশনার গোপাল বিশ্বাস মালিকপক্ষ, শ্রমিক পক্ষ ও ঠিকাদার সংস্থাকে নিয়ে বৈঠক করেছেন। সেখানে শ্রমিকপক্ষ কাজহারা কর্মীদের কাজে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন। সহশ্রম কমিশনার জানিয়েছেন, আগামী ২৭ এপ্রিলের মধ্যে ঠিকাদার সংস্থা ও ২৯ এপ্রিলের মধ্যে শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে আলোচনার পর কারখানা কর্তৃপক্ষকে তাদের অবস্থান জানাতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত গত  ১এপ্রিল থেকে শ্রী রেণুকা সুগারসের কাজহারা কর্মীরা বিক্ষোভ চালাচ্ছেন। সমস্যা না মেটা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে ।বলে তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন। ঠিকাদারদের মাধ্যমে মালিকপক্ষ তাদের অন্যায়ভাবে ছাঁটাই করেছে বলে অভিযোগ।