প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের মনোনয়ন হয়ে গেল। তবে রেলশহর এখন যাদের খাসতালুক বলে পরিচিত এই বিজেপি প্রার্থীর দেখা মিলল না সোমবার দিনভর। পাওয়া গেল না ফোনেও।  তবে রাতে তিনি শহরে এসেছেন বলে খবর। এ দিকে একদিন পিছিয়ে গিয়েছে বিজেপির মনোনয়নের নির্ঘণ্ট। কথা ছিল, আজ মঙ্গলবার মনোনয়ন জমা দেবে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের খবর, আজ নয়, তাদের প্রার্থী প্রেমচাঁদ ঝা মনোনয়ন দেবেন, বুধবার। ওই দিনই মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। 

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অবশ্য এ দিন বলেন, ‘‘তৃণমূল  প্রেমচাঁদকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে আটকানোর চেষ্টা করেছে। জামিন নিতে এ দিন প্রেমচাঁদ কলকাতায় এসেছিল। হাইকোর্ট জামিন মঞ্জুর করেছে। মঙ্গলবার না হলেও কাল বুধবার প্রেমচাঁদ মনোনয়ন জমা দেবেন।’’ প্রার্থী বদলের কোনও সম্ভবনা নেই বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন দিলীপ।

এ বার দলের নেতা-কর্মীদের একটি অংশের ক্ষোভ সত্ত্বেও প্রেমচাঁদকে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকেই তাঁর পরিজনেরা জানাচ্ছিলেন যে  এক আত্মীয়ের অসুস্থতার খবরে প্রেমচাঁদ ওড়িশায় গিয়েছেন। এমনকি তিনি ফোন নিতেও ভুলে গিয়েছেন। এরমধ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ খড়্গপুরে এসে কর্মীদের ক্ষোভ কমানোর চেষ্টা করলেও  প্রার্থীর দেখা মেলেনি। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর মোবাইলে ফোন করা হলে একজন ধরে জানান, উনি কিছুক্ষণ পরেই ফিরে আসবেন। 

বিজেপির জেলা সভাপতি শমিত দাস বলেন, “আমাদের প্রার্থী বাইরে রয়েছেন বলে শুনেছি। ফিরে এলে জানতে হবে কী কারণ। তবে আমাদের রাজ্য সভাপতি মঙ্গলবার উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে মনোনয়ন জমার দিন পিছিয়ে দেওয়া হল। বুধবার প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন।” এ দিন খড়্গপুরে এসেছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা অরবিন্দ মেনন। তিনি বিভিন্ন এলাকায় পুরনো কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে গিয়ে দলীয় প্রার্থীকে জেতানোর আবেদন জানান।