ভোটের ময়দানে চার-ছয় প্রার্থীদের
ক্রিকেট- ভক্ত মেদিনীপুরের সিপিআই প্রার্থী বিপ্লব। মোহনপুরে নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার পথে তিনিও মেতে ওঠেন ক্রিকেটে। বিজেপির জেলা সম্পাদক অরূপ দাসও ক্রিকেট অনুরাগী হিসেবে পরিচিত।
biplab bhatta

খেলায় মেতে বিপ্লব ভট্ট। নিজস্ব চিত্র

জমজমাট আইপিএলের মরসুম। চার- ছয়ের বন্যা চলছে! প্রচারে বেরিয়ে ব্যাট- বলের লড়াইয়ে মজেছেন প্রার্থীরাও। সুযোগ পেলেই মাঠে নেমে পড়ছেন তাঁরাও। প্রচারের ফাঁকে সুযোগ পেলেই মেঠো পিচে চলছে ক্রিকেট চর্চা।

মেদিনীপুরের সিপিআই প্রার্থী বিপ্লব ভট্ট, ঘাটালের কংগ্রেস প্রার্থী মহম্মদ সইফুল তো আবার রীতিমতো ক্রিকেট- পাগল। নিজেরা এক সময়ে চুটিয়ে ক্রিকেট খেলেছেন।  রীতিমতো ‘খেপ’ খেলতেন তাঁরা। দিনকয়েক আগে পাঁশকুড়া থেকে প্রচার সেরে মেদিনীপুরে ফিরছিলেন সইফুল। তখন বিকেল হয়ে গিয়েছে। ডেবরার কাছে এক মাঠে কয়েকজন ছেলে ক্রিকেট খেলছিলেন। দেখে আর গাড়িতে বসে থাকতে পারেননি সইফুল। গাড়ি থেকে নেমে সটান মাঠে। ব্যাট হাতে নেমে পড়েন। সইফুল বলছিলেন, ‘‘ক্রিকেট খেলা একটা আবেগ। কত যে খেলেছি।’’ সইফুল স্কুলের দলে ক্রিকেট খেলেছেন। ছিলেন কলেজের দলেও। পুরসভার ওয়ার্ডের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। ঘাটালের কংগ্রেস প্রার্থী বলছেন, ‘‘শেষ যে বার পুরসভায় ওয়ার্ডভিত্তিক ক্রিকেট হল, স‌ে বারও খেলেছি।’’ সইফুল বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে ‘খেপ’ও খেলেছেন। ফার্স্ট বোলিং করেন। আর ব্যাট করেন ওপেনিংয়ে। 

একই রকম ক্রিকেট- ভক্ত মেদিনীপুরের সিপিআই প্রার্থী বিপ্লব। মোহনপুরে নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার পথে তিনিও মেতে ওঠেন ক্রিকেটে। কয়েক মিনিট চুটিয়ে ক্রিকেট খেলেন পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে। ফার্স্ট বোলিং করতেন বিপ্লব। বোলার হিসেবেই তাঁর ডাক পড়ত এই ক্লাবে, ওই ক্লাবে। মেদিনীপুরের সিপিআই প্রার্থী বলছেন, ‘‘এক সময়ে বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেপ খেলেছি।’’ এখন তো আইপিএল চলছে? বিপ্লব বলছিলেন, ‘‘ক্রিকেট আর ভোট যাতে তাল মিলিয়ে চলতে পারে সেই দিকে নজর রাখছি। সময় সুযোগ পেলেই আইপিএলের ম্যাচগুলো দেখছি।’’

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯ 

মহম্মদ সইফুলও মেতেছেন ক্রিকেটে। নিজস্ব চিত্র।

ভোটযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই বাজারে হাজির হয়েছে আইপিএল। ভোট না কি আইপিএল! সন্ধ্যা নামার আগেই শুরু হয়ে যাচ্ছে ক্রিকেট। রাজপথ থেকে শুরু করে অলিগলি, এমনকি, গ্রামের পথঘাটও ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। অথচ, গমগম করছে ক্লাবগুলো। ফলে, প্রচারে প্রার্থীদের কিছুটা সমস্যাও হচ্ছে। বিপ্লব বলছিলেন, ‘‘ক্রিকেট নিয়ে মানুষের আবেগটা আমি বুঝি। এরমধ্যেই প্রচার চলছে।’’ সইফুলের কথায়, ‘‘কর্মীরাও অনেকে ক্রিকেটের অন্ধভক্ত। প্রচার আর খেলা দেখা, দু’টোই তাল মিলিয়ে চালাতে হচ্ছে।’’

বিজেপির জেলা সম্পাদক অরূপ দাসও ক্রিকেট অনুরাগী হিসেবে পরিচিত। এক সময়ে চুটিয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। ক্রিকেট খেলতে গিয়েই বল লেগে একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন তিনি। আইপিএলের মরসুমে প্রচারে সমস্যা হচ্ছে না? অরূপ বলছিলেন, ‘‘আমি নিজেও আইপিএল ভালবাসি। সব ম্যাচ দেখা হচ্ছে না। তবে কিছু কিছু ম্যাচ দেখছি।’’ 

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের ফল

আপনার মত