আমিই জিতছি, প্রত্যয়ী দিলীপ
মেদিনীপুরের রিটার্নিং অফিসার তথা জেলাশাসক পি মোহনগাঁধীর দফতরে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে শহরে এক মিছিল হয়। মিছিল শেষে মনোনয়ন দিতে যান দিলীপ।
Dilip

শোভাযাত্রা করেই মেদিনীপুর কালেক্টরেটে পৌঁছন দিলীপ ঘোষ। ছবি: সৌমেশ্বর মণ্ডল

মেদিনীপুর থেকে তিনিই জিতছেন। মনোনয়ন দিয়ে এমনটাই দাবি করলেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। শনিবার কালেক্টরেট ক্যাম্পাসে দাঁড়িয়ে দিলীপের মন্তব্য, ‘‘মেদিনীপুর থেকে আমিই জিতব। এটা ঠিক আছে!’’ ব্যবধান কেমন হবে? দিলীপের জবাব, ‘‘কেমন মার্জিন হবে সেটা মানুষ ঠিক করবেন। ২৩ মে বোঝা যাবে।’’ 

এ দিন হোমযজ্ঞ করে মনোনয়ন দিতে আসেন দিলীপ। মেদিনীপুরের রিটার্নিং অফিসার তথা জেলাশাসক পি মোহনগাঁধীর দফতরে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে শহরে এক মিছিল হয়। মিছিল শেষে মনোনয়ন দিতে যান দিলীপ। সঙ্গে ছিলেন দলের জেলা সভাপতি শমিত দাশ। তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ যে তৃণমূল তা অবশ্য মানছেন দিলীপ। বিজেপি রাজ্য সভাপতির কথায়, 

‘‘এখানে তৃণমূল স্বাভাবিকভাবেই শক্তিশালী। কিন্তু বিধানসভায় আমি দেখিয়ে দিয়েছি, খড়্গপুরে তৃণমূল আমাদের কাছে শক্তিশালী নয়। ওখানে কংগ্রেস শক্তিশালী ছিল। কংগ্রেস, সিপিএম একসঙ্গে লড়েও আমাকে হারাতে পারেনি।’’

দিলীপের এই দাবি নিয়ে তৃণমূল অবশ্য বিঁধতে ছাড়ছে না। দলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতির কটাক্ষ, ‘‘উনি বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে তৈরি থাকুন। মানুষ ওকে যোগ্য জবাব দেবে।’’

দিলীপ খড়্গপুরে রেলের কোয়ার্টারে থাকেন। এ নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও জানাবে তারা। 

দিলীপ অবশ্য তাতে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর কথায়, ‘‘আমার বন্ধুর কোয়ার্টারে আমি থাকব। তাতে কার কী বলার আছে?’’ ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি নোটিস পাঠিয়েছে ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষকে। দিলীপের অভিযোগ, এ সব ষড়যন্ত্র। 

কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিরপেক্ষ হওয়ার যে পরামর্শ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়েছেন, তাকেও কটাক্ষ করেছেন দিলীপ। তাঁর মন্তব্য, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বলেছিলেন, বিরোধীশূন্য পঞ্চায়েত চাই। তার জন্য পুলিশ, গুন্ডা লাগিয়ে দিয়েছিলেন। যে কোনও দিন নিরপেক্ষ হয়নি, সে অন্যকে নিরপেক্ষ হতে বলছে? যিনি আমাদেরকে মনোনয়ন করতে দিচ্ছেন না, প্রচার করতে দিচ্ছেন না, মাঠ দিচ্ছেন না, হেলিকপ্টারের অনুমতি দিচ্ছেন না, তাঁর মুখে এই কথা শোভা পায়?’’