• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

সামাজিক ঘনিষ্ঠতা আর শারীরিক দূরত্ব রেখেই জগদ্ধাত্রী উৎসব, নতুন স্লোগান মেদিনীপুরে

pujo
পুজোর ব্যানার। -নিজস্ব চিত্র।

এই অতিমারি মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব নয়, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার আবেদন জানিয়ে জগদ্ধাত্রী পুজোর ব্যানার প্রচারে জোর দিয়েছে মেদিনীপুর শহরের খ্রিস্টান-হিন্দু-মহামেডান অ্যাসোসিয়েশন।

এত দিন ধরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু তা না করে এ বার শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার আবেদন মেদিনীপুর শহরের সিপাহিবাজার গির্জা এলাকার জগদ্ধাত্রী পুজো উদ্যোক্তাদের। পাশাপাশি অতি অবশ্যই মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের ব্যবহার করতে হবে।

সিপাহিবাজার গির্জা এলাকার জগদ্ধাত্রী পুজো উদ্যোক্তাদের এই প্রচার মানুষের মধ্যে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন তাঁরা। উদ্যোক্তাদের মধ্যে অন্যতম মেদিনীপুর পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর এবং ওই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী জানিয়েছেন, এ বছরের পুজোয় বিশেষ কিছু আয়োজন করা হচ্ছে না। পুজো মানেই আনন্দ। তার সঙ্গে থাকবে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলার সব রকম প্রস্তুতি। তাই মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি করোনার হাত থেকে রক্ষা পেতে যা যা জরুরি সে সবই তুলে ধরা হচ্ছে এ বারের পুজোয়। দর্শনার্থীদের মাস্ক এবং স্যানিটাইজার বিলি করারও আয়োজন করা হয়েছে। এ বারে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মেলার আয়োজন করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: ভারতী সিংহের পর মাদককাণ্ডে গ্রেফতার হলেন তাঁর স্বামীও

অন্যদিকে, রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি ও পরিবেশ দফতরের মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র শনিবার ডেবরায় তৃণমূলের কর্মী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়েও সামাজিক দূরত্বের বদলে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা জানান। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী প্রথম থেকেই শারীরিক দূরত্বের কথা বলে আসছেন। সামাজিক দূরত্ব মানে অনেক কিছুই বোঝায়। সমাজের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করেন তাঁদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব কোনও ভাবেই মানে না তৃণমূল সরকার। তাই পুজো উদ্যোক্তাদের মতে, শারীরিক দূরত্বই শ্রেয় করোনা পরিস্থিতিতে রক্ষার জন্য।

অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ইদ, জগদ্ধাত্রী পুজো এবং খ্রিস্টমাস পালন করা হয়ে থাকে। এবারেও করা হচ্ছে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন