বিপজ্জনক কাঠপুল দিয়ে প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলছে গাড়ি ও লোক পারাপার। তবুও প্রশাসনের কোনওরকম নজরদারি নেই। পুলের দু’দিকেই নেই কোনওরকম সতর্ক বার্তাও। এগরা মহকুমার পটাশপুর-২ নম্বর ব্লকের মথুরা গ্রাম পঞ্চায়েতে এই কাঠপুল নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত কার্যালয়ের যাওয়ার পথে পড়ে ওই জীর্ণ কাঠপুল। প্রতিদিন শ’য়ে শ’য়ে মানুষ পারাপার করেন। পারাপার করে টোট, অটো থেকে ছোট গাড়িও। পুলের একদিকের কাঠের রেলিং থাকলেও তা নড়বড়ে। আর একদিকে রেলিংই নেই। তার উপর নীচে কাঠের পাটাতন নড়বড়েই শুধু নয়, কয়েক জায়গায় গর্তও রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাঠের পুল সারানোর জন্য পঞ্চায়েত থকে ব্লক প্রশাসন সবর্ত্রই বহুবার আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু অবস্থা পাল্টায়নি। বাধ্য ছোট থেকে বড় সব বয়সের মানুষকেই প্রতিদিন প্রাণ হাতে নিয়ে পুল পারাপার করতে হচ্ছে। ছোট গাড়িও পারাপার করে। যে কোনও দিন পুল ভেঙে পড়ে বড় দুর্ঘটনা এমনকী প্রাণহানিও ঘটে যেতে পারে।

গাড়িচালকদের বক্তব্য, গাড়ি নিয়ে পারাপার করার সময় পুল যে ভাবে নড়ে তাতে ভয় হয়। তাই দু’দিকেই যাত্রী নামিয়ে খালি গাড়ি নিয়ে পুল পার করতে হয়।   এলাকার বাসিন্দা তাপস মাইতি বলেন, ‘‘আমরা পুল সংস্কার নিয়ে নিয়ে পঞ্চায়েতে একাধিকবার দাবি জানিয়েছি। ওই পুলের অবস্থা যে খুব খারাপ সেটাও জানিয়েছি। কিন্তু পুল সংস্কার হয়নি।’’ তাঁদের দাবি, অবিলম্বে ওই জায়গায় কাঠের বদলে কংক্রিটের সেতু তৈরি হোক।

মথুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শরত জানা বলেন, ‘‘আমরা এই বিষয়ে পঞ্চায়েত সমিতিকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। ওদের বলা হয়েছে, কাঠের পুল ভেঙে  কংক্রিটের সেতু বানিয়ে দিতে। সেচ দফতরকেও বলা হয়েছে।’’ পঞ্চায়েত সমিতি জানিয়েছে, কংক্রিটের সেতু বানানোর মতো টাকা এই মুহূর্তে তাঁদের কাছে নেই। তবে ওঅ কাঠের সেতুটি দ্রুত মেরামত করে দেওয়া হবে।